ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জিততে বাংলাদেশের ২০১ রান। টসে জিতে প্রথম ব্যাট করে ৪৫ ওভারে ২০০ রানে অলআউট হয় ভারত। ম্যাচে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে অভিষেকে পর পর দু’ ম্যাচে ৫ টি সহ ৬ উইকেট নেওয়ার অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন বাংলাদেশের নতুন সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান।
ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই হিসাবের খাতা খোলার আগে রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্যও এনে দেন আগের ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়া মুস্তাফিজুর রহমান। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৭৪ রান তুলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলো ভারত। কিন্তু ভারতীয় ইনিংসে জোড়া আঘাত হেনে বাংলাদেশকে দারুণভাবে খেলায় ফেরান নাসির হোসেন।
বিরাট কোহলির পর শিখর ধাওয়ানকেও ফিরিয়ে দেন এ অফ স্পিনার। ধাওয়ান বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম হাফসেঞ্চুরি (৫৩) পেলেও কোহলি করেন মাত্র ২৩ রান । এরপর সুরেশ রায়নাকে সঙ্গে নিয়ে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করে চারে নামা অধিনায়ক ধোনি। ৫৩ রানের জুটি গড়ে ভালো কিছু করার আভাসও দিয়েছিলেন তারা। তবে শুরুতে সাফল্য পাওয়া মুস্তাফিজ দ্বিতীয়বারের মতো আক্রমণে এসেই ফিরিয়ে দেন রায়নাকে। ৩৪ রান করে উইকেটকিপার লিটন দাসের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
মাঝে রুবেল হোসেনের বলে নাসির হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন আম্বাতি রাইডু। বৃষ্টির কারণে প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় খেলা বন্ধ থাকার পর ফের শুরু হলে প্রথম বলেই সাফল্য পান মুস্তাফিজ। ব্যক্তিগত কোটার শেষ ওভারের শেষ বলে রবীন্দ্র জাদেজাকে ক্লিন বোল্ড করেন তিনি। আর ভুবনেশ্বর কুমারকে আউট করে ভারতীয়দের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকেন রুবেল হোসেন।
এর আগে যে মুস্তাফিজকে ধাক্কা দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, সেই ধোনিকে স্লোয়ারে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান মুস্তাফিজ। পরের বলে আশকার প্যাটেলকে আউট করে প্রথম ম্যাচের হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ। তবে সেটা ঠেকিয়ে দেন অশ্বিন।তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। আজ জিতলেই ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জিতবে টিম টাইগার্স। সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও খেলবে বাংলাদেশ।






