অস্ট্রেলিয়ায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি প্রস্তুতি ম্যাচে ম্যাশের দল সিডনি থান্ডারকে ১২২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বিসিবি একাদশ। বাউন্সি উইকেটে টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলে শেষদিকে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২১ করতে সক্ষম হয় বিসিবি একাদশ। নুরুল হাসানের ৩৫ এবং শুভাগত হোমের ২৫ রানে এ রান করে বিসিবি।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বিসিবি। বাউন্সি উইকেটে পেস বল খেলতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে ইমরুল-সৌম্যদের।
অস্ট্রেলিয়ান বোলার প্যাট কামিন্স প্রথম ওভারেই তুলে নেন ইমরুল কায়েসকে। পরের ওভারে ম্যাককের শিকার হয়ে ফেরেন সৌম্য সরকার (৩)। তৃতীয় ওভারে গুরিন্দর সান্ধু তুলে নেন সাব্বির রহমানকে। ৩ ওভারে ৩ উইকেটে তখন ১৩ রান বাংলাদেশের। ২১ রানে পড়ে ৪ উইকেট। ষষ্ঠ ওভারে। বিদায় নেন মুশফিকও।
মোসাদ্দেক হোসেন অষ্টম ওভারে দুটি বাউন্ডারি মেরে আনন্দে মাতোয়ারা করেছিলেন বাংলাদেশি সমর্থকদের। কিন্তু পরের ওভারে স্পিনার নায়ারের বোলিংয়ের লাইন মিস করে বোল্ড। দলীয় ৩৮ রানে ৫ উইকেট। মোসাদ্দেক ফেরেন ১৩ রান করে। মুমিনুল হক নামেন। কিন্তু তিনিও থাকতে পারলেন না। ৪৯ রানে নেই ৬ উইকেট। নিদারুণ ব্যাটিং বিপর্যয়।
সেখান থেকে নুরুল হাসান ও শুভাগত হোমের সপ্তম উইকেট জুটির শুরু। ১৫তম ওভারে ভাঙে তা। ২৭ রান এনে দেয় ওই জুটি। দলের ৭৬ রানে শুভাগত ব্যক্তিগত ২৫ রান করে প্যাভিলনে ফেরেন। তবে নুরুল ও তানবির এরপর দলের রান ১০০ পার করেন। টাইগার সমর্থকরা ততক্ষণে মাঝে মাঝে উল্লাসে মাতার সুযোগ পেয়েছেন। নুরুল-তানবিরের অষ্টম উইকেট জুটি ভাঙে ১১৭ রানে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪১ রানের জুটি তাদের। তানবির অপরাজিত থাকেন ১০ রানে।







