চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সিডনির ব্লু মাউন্টেইনসিনিক ওয়ার্ল্ড-স্বপ্নের ঘোরে কাটানো একটা দিন

ইয়াকুব আলীইয়াকুব আলী
৬:০৭ অপরাহ্ণ ২৪, মে ২০২১
প্রবাস সংবাদ
A A

সিডনির একদিকে যেমন রয়েছে অবারিত সমুদ্রের নীল জলরাশির হাতছানি অন্যদিকে রয়েছে আপন করে নেয়া পাহাড়ের কোল। অবস্থা দৃষ্টে মনেহয় প্রকৃতি যেন সস্নেহে সিডনিকে আগলে রেখেছে। সমুদ্রে অহরহই যাওয়া হয় কিন্তু পাহাড়ে যাওয়ার জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হয়, পাশাপাশি থাকতে হয় শারীরিক প্রস্তুতি। আমরা অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম ব্লু মাউন্টেইনে বেড়াতে যাবো। ব্লু মাউন্টেইনের থ্রি সিস্টার্স পর্বতমালা পৃথিবী বিখ্যাৎ। থ্রি সিস্টার্স নিয়ে অনেক শ্রুতি চালু আছে তার মধ্যে একটা এমন।

কাটুম্বা ট্রাইবের মিহনি, উইমলা এবং গুনেদা নাম তিন বোন বাস করতো ব্লু মাউন্টেনের জেমিসন উপত্যক্যায়। তাদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়ে যায় নেপিয়ান ট্রাইবের তিন ভাইয়ের সাথে কিন্তু ট্রাইবের আইন অনুযায়ী তারা বিয়ে করতে পারবেন না তাই তিন ভাই যুদ্ধ করে তিন বোনকে জয় করার সিদ্ধান্ত নেন। তিন বোনের বিপদ দেখে একজন জাদুকর তার জাদুশক্তি বলে তিন বোনকে পর্বতে পরিণত করেন যাতে যুদ্ধ শেষ হলে তাদেরকে আবার মানুষে রূপান্তর করবেন কিন্তু যুদ্ধে তিনি মারা গেলে তিন বোন আর মানুষে রূপান্তর হতে পারেননি এবং যুগযুগ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন প্রকৃতির বিস্ময় হয়ে। তিন বোনের পাশেই আছে আরো একটা ক্ষুদ্র পর্বত। স্থানীয়রা এটার নাম দিয়েছেন ‘ছোট ভাই কেভিন’।

আমাদের বাসা ক্যাম্বেলটাউন এরিয়া থেকে ব্লু মাউন্টেইনের দূরত্ব মাত্র এক ঘন্টা কুড়ি মিনিটের ড্রাইভ তবে সিডনি থেকে যেতে সময় লাগবে পৌনে দুই ঘন্টা আর যদি আপনি ট্রেনে করে যান তাহলে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। এটা দীর্ঘ যাত্রা মনেহলেও আপনি যখন ওখানে পৌঁছাবেন তখন এই ক্লান্তি উবে যেয়ে শরীরে এক ধরণের প্রশান্তি বিরাজ করবে। নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন সবুজ আর নীলের মিতালীতে। আমরা খুব ভোর বেলায় রওয়ানা দিয়ে দিলাম। যাওয়ার রাস্তা মোটামুটি সোজা। এম৭ হাইওয়ের পর এম৪ হাইওয়ে হয়ে এরপর একটানা এ৩২ রাস্তা। মাঝে আমরা একটা পেট্রল পাম্পে বিরতি নিয়ে গড়িয়ে তেল নিয়ে নিলাম পাশাপাশি বাচ্চাদের জন্য চিকেন স্যান্ডউইচ এবং নিজের জন্য কফি।

সিনিক ওয়ার্ল্ডে পর্যাপ্ত ফ্রি কার পার্কিং আছে। গাড়ি পার্ক করে আমরা এন্ট্রিতে পৌঁছে সেখানে দাঁড়ানো সিনিক ওয়ার্ল্ডের একজন মানুষের কাছ থেকে টিকেট বিষয়ে একটা ধারণা নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম। টিকেটের প্রক্রিয়া শেষ করতে সামান্য সময় লাগলো। টিকেট কাউন্টার থেকে আমাদের হাতে বারকোডওয়ালা ব্যান্ড পরিয়ে দেয়া হলো। যেকোন রাইডে প্রবেশের মুখে বারকোড স্ক্যান করলেই গেইট খুলে যাবে।  এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম কোন রাইডটা আগে চড়বো। টিকেট কাউন্টার থেকে সরবরাহ করা লিফলেট থেকে জানলাম সেখানে বলা আছে প্রত্যেকটা রাইডে আপ এবং ডাউন মিলে দুবার চড়তে বলা হয়েছে সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করার জন্য। এখানে মোট তিন রকমের রাইড আছে। সিনিক রেইলয়ে, সিনিক কেবলওয়ে আর সিনিক স্কাইওয়ে। এর পাশাপাশি আছে মনোরম সিনিক ওয়াকওয়ে। সিনিক ওয়াকওয়েটা রেইনফরেষ্টের মধ্যে বিছানো পাটাতনে হাটাহাটি। এখানে হাটলে বাইরের আবহাওয়া যাইহোক না কেন শরীরে শীত লাগবে তাই জ্যাকেট পরে যাওয়া ভালো।

আমাদের মেয়ে তাহিয়া বললো, বাবা আমরা রেইলওয়ে দিয়ে শুরু করবো। এরপর ওয়াকওয়ে ধরে হেটে কেবলওয়ে দিয়ে আবার ফিরে আসবো তারপর স্কাইওয়েতে যাবো। সেই মোতাবেক আমরা রেইলওয়ের গেটে হাতের ব্যান্ড স্ক্যান করে প্রবেশ করলাম। প্রবেশ করেই আমরা মুগধ দৃষ্টিতে প্রকৃতির এক অপরূপ রূপ প্রত্যক্ষ করলাম। জ্যামিশন ভ্যালির পর্বতমালার মাঝের জায়গাটাতে তুলতুলে সাদা মেঘের বিশাল একটা ভেলা ভাসছে। রেইলওয়েতে অপেক্ষার পুরো সময়টা আমরা এই দৃশ্য দেখলাম। এটা দেখে যেন আশ মিটে না। এটা এমনই একটা দৃশ্য যে দৃষ্টি ফেরানো যায় না। তবে এই দৃশ্যটা দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে খুব সকালে নাহলে পরে রোডের আঁচে মেঘগুলো উড়ে যায়। একটু পরেই রেইলওয়েতে কেবিনগুলো চলে আসলো। এখানে বলে রাখা দরকার প্রত্যেকটা রাইডের দশ মিনিট পরপর কেবিনগুলো হাজির হয় তাই তাড়াহুড়ো করার কোন দরকার নেই।

রেইলওয়ের এই রাইডটা পৃথিবীর সবচেয়ে খাড়া রাইড তাই সাথে পরে যেতে পারে এমন কোন জিনিস থাকলে সাবধানে রাখতে হবে। এটা চলা শুরু করার কিছুক্ষণ পর আপনার মনেহবে আপনি সোজাসুজি কোন গভীর সুড়ঙ্গে তলিয়ে যাচ্ছেন। তখন মাথার উপরের রেলিং ধরে ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। এই রাইডটা খুবই কম সময়ের কিন্ত অভিজ্ঞতাটা আপনার সারাজীবন মনে থাকবে। আমি সামান্য ভয়ে পেলেও তাহিয়া আর রায়ানের কোন বিকার দেখলাম না তারা রীতিমতো হুল্লোড় করে চললো। রেইলওয়ে থেকে নেমে আমরা হাটা শুরু করলাম রেইনফরেস্টের মধ্যে। সেখানে পুরোনো কয়লা খনির আদলে এক একটা স্থাপনা গড়া। এখানে বলে রাখা ভালো এই কয়লা খনি সৃষ্টি না হলে এই সিনিক ওয়ার্ল্ডের মতো একটা সুবিধা তৈরি হতো না।

Reneta

প্রথমেই আছে কাটুম্বা কয়লা খনির অফিস। সেই অফিসের জানালা দিয়ে ভিতরে উঁকি দিলেই দেখা যায় একটা লোক তার সামনের টেবিলে খোলা খাতার উপর চশমাটা রেখে মনেহয় ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছেন। টেবিলের উপর রাখা আছে একটা জ্বলন্ত হারিকেন। এরপরই আছে ভেন্টিলেশন ফার্নেস, তারপর রাখা আছি ঘোড়ার গাড়িতে কয়লা টেনে নেয়ার ভাস্কর্য। এরপর আছে খনির একটা দেয়াল। তার সামনের কাঁটাতারের বেড়ায় লেখা আছে ইতিহাস। এরপরই আছে খনির কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির একটা বোর্ড। এটা ধরে এগিয়ে গেলেই দেখা মিলবে খনি শ্রমিকদের গ্রামের। সেখানে পুরনো বাড়ির আদলে তৈরি করা আছে ঘর। আর ঘরের ভেতরের আসবাবগুলো একেবারে সেই আমলের। এগুলো বাচ্চাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে সেইসব পুরোনো দিনে।

এই পথের শেষে দেখা মিলবে ক্যাবল কারের। আমরা সেটাতে করে আবার উপরে চলে আসলাম। তারপর সেখানকার রেস্তোরা ইটস ২৭০ তে খেয়ে নিলাম দুপুরের খাবার। তারপর দাঁড়িয়ে গেলাম স্কাইওয়ের লাইনে। স্কাইওয়ের মজা হলো চার পাশের দৃশ্য দেখার পাশাপাশি মেঝেতে লাগানো পরিষ্কার কাঁচের মধ্যে দিয়ে একেবারে নিচের দৃশ্যও দেখা যায়। এটাতে উঠেই রায়ান আর তাহিয়া দৌড়ে দৌড়ে চারপাশটা দেখছিলো। স্কাইওয়ে থেকে ফিরে আমরা আবারও রেইলওয়ের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে গেলাম। এইবার বেলা হয়ে যাওয়াতে লাইন বেশ লম্বা।রেইলওয়ে থেকে নেমেই আমরা বুশ ওয়াকিং শুরু করলাম। ওয়াকের রাস্তাটা খুবই মনোরম। আড়াআড়িভাবে একটা ঝর্ণার উপর দিয়ে চলে গেছে রাস্তাটা। সেটাতে প্রায় দেড় ঘন্টা হাঁটার পর আমরা থ্রি সিস্টার্সের একেবারে পাদদেশে এসে পৌছালাম। সেখান থেকে প্রায় আটশো সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠলে দেড় ঘন্টা পর দেখা মিলবে আমাদের আরাধ্য তিন বোনের। রায়ান আর তাহিয়া ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো তাই বাধ্য হয়েই ফিরে আসলাম।

সিনিক ওয়ার্ল্ড থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে একজন সাহায্যকারীকে থ্রি সিস্টার্সে যাওয়ার রাস্তা জিজ্ঞেস করতেই পাশের একটা রাস্তা দেখিয়ে দিয়ে বললঃ তোমরা এটা ধরে হেটে গেলে আধাঘন্টা পরেই পেয়ে যাবে থ্রি সিস্টার্সের দেখা। কিন্তু আবারও এই ‘প্রিন্স হেনরি ক্লিফ’ ওয়াকওয়ে ধরে প্রায় দেড় ঘন্টা হাঁটার পর আমরা এসে পৌঁছালাম ‘কুইন এলিজাবেথ লুকআউটে’। থ্রি সিস্টার্স বলতে সবাই এই জায়গাটাকেই বুঝাই কারণ এখান থেকেই থ্রি সিস্টার্সের সবচেয়ে সুন্দর ভিউ দেখা যায় কিন্তু আমাদের মন পড়েছিলো কিভাবে থ্রি সিস্টার্সকে ছুঁয়ে দেখা যায়। এরপর আমরা বিফল মনোরথে যখন ফিরে আসছি ঠিক তখনই দেখা মিললো ‘থ্রি সিস্টার্স ওয়াকওয়ের’। সেটা ধরে আরও আধা ঘন্টার মতো হাঁটার পর দেখা মিললো ‘জায়ান্ট স্টেয়ার’র উপরের অংশের। এই পুরো যাত্রাপথে অনেক মানুষের সাথেই কুশল বিনিময় করলাম আমরা। এখানে এসে এক পৌঢ় দম্পতির সাথে দেখা হলো। আমি তাঁদেরকে বললামঃ উপর এবং নিচ মিলিয়ে আমরা প্রায় পাঁচ ঘন্টা ধরে হাটছি শুধু থ্রি সিস্টার্সকে ছুঁয়ে দেখবো বলে। সেটা শুনে ভদ্রমহিলা বললেনঃ তুমি তো দেখি সুপার ড্যাড অর আই মাস্ট সে হিরো ড্যাড।

এরপর উনারা বললেন: এখনও আসল অংশটা বাকি রয়ে গেছে। এই ‘জায়ান্ট স্টেয়ার’ ধরে দুশো সিঁড়ি ভেঙে নিচে নামলেই দেখা মিলবে থ্রি সিস্টার্সে যাওয়ার সেতুটার যেটার নাম ‘হানিমুন ব্রিজ’ আর সেটা ধরে আরো আটশ সিঁড়ি ভেঙে নিচে নামলে দেখা মিলবে সেই জায়গাটার যেখান থেকে তোমরা ফিরে গিয়েছিলে। আমি বললাম অনেক ধন্যবাদ তোমাদের, তোমাদের দিনটা ভালো কাটুকু। প্ৰত্যুত্তরে উনারাও আমাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফিরে চললেন। জায়ান্ট স্টিয়ারের সিঁড়িগুলোর ঢাল খুবই খাড়া তাই আমি রায়ানকে আমার পিঠে নিয়ে নিলাম কারণ ও এমনিতেই অনেক ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলো। এরপর আমরা ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে শুরু করলাম। আমাদের দেখে সবাই সিঁড়ির পাশে দাঁড়িয়ে জায়গা করে দিচ্ছিলো কারণ আমি রায়ানকে দেখিয়ে আমি সবাইকে বলছিলাম, সাইড প্লিজ, এই হ্যাভ এ বিগ ব্যাক প্যাক।

অবশেষে হানিমুন ব্রিজে এসে রায়ানকে পিঠ থেকে নামিয়ে দিলাম। এরপর ওরা দুভাইবোন প্রতিযোগিতা করে থ্রি সিস্টার্সের কোলে যেয়ে বসে পরলো। এরপর ওখানে বসে সাথে আনা চিপস আর পানি দিয়ে নাস্তা সেরে নিলো। একটা ব্যাপার আমাকে খুবই অবাক করছিলো মাত্র এগারো এবং পাঁচ বছরের এই বাচ্চাদুটো আমার সাথে সাথে এই উঁচু নিচু পাহাড়ি রাস্তায় হেটে চলেছে প্রায় পাঁচ ঘন্টা ধরে কিন্তু তবুও তাদের কোন ক্লান্তি নেই। আসলেই শিশুদের জীবনীশক্তি অফুরান। ইতোমধ্যে আমার মোবাইলের চার্জ প্রায় শেষ হয়ে এসেছিলো তাই ফটাফট কয়েকটা ছবি তুলে নিলাম। এখানে একটা কথা বলে নেয়ার দরকার সেটা হলো সিনিক ওয়ার্ল্ডে মোবাইলের নেটওয়ার্ক থাকে না বললেই চলে তাই গ্ৰুপে বেড়াতে গেলে সবাই একসাথে থাকায় শ্রেয়।

এরপর আমরা ফিরতে শুরু করলাম। ফেরার সময় রায়ান একাই খাড়া সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলো। আমি শুধু ওর পেছনে থেকে ওকে কাভার করে গেলাম। উপরে উঠেই ওদের জন্য পানি আর নিজের জন্য কফি নিয়ে নিলাম। আমাদের শরীরে হাঁটার মতো বিন্দুমাত্র শক্তি আর অবশিষ্ট ছিলো না তাই ৬৮৬ নম্বর বাসের জন্য অপেক্ষা করতে শুরু করলাম যেটা সিনিক ওয়ার্ল্ডে যায়। বাস থেকে নেমে গাড়িতে এসে স্টার্ট দিয়েই শুরুতে মোবাইলটা চার্জে দিয়ে দিলাম কারণ মোবাইল ও নাহলে গুগুল ম্যাপস চালানো যাবে না। গাড়িতে ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওদের দুজনের নাক ডাকার শব্দ পেলাম। পুরো রাস্তাটা আমার মনেহচ্ছিলো যেন আমি একটা ঘোরের মধ্যে আছি। আসলেই সিনিক ওয়ার্ল্ডের রাইডগুলো খুবই উপভোগ্য অনেকটা অসম্ভবকে সম্ভব করার মতো আর থ্রি সিস্টার্সকে ছুঁয়ে দেখার অভিজ্ঞতাটা দুর্দান্ত। আপনি চাইলে দলবল নিয়ে বেরিয়ে পড়তে পারেন ব্লু মাউন্টেইন সিনিক ওয়ার্ল্ডের উদ্দেশ্যে একটা আজীবন মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: সিডনি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

আজও খামেনিকে শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল, সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিতে কঠোর নিরাপত্তা

জুলাই ৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে ফের মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

জুলাই ৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

জুলাই ৫, ২০২৬

কোয়ার্টার ফাইনালে এমবাপের ফ্রান্সের সামনে হাকিমির মরক্কো

জুলাই ৫, ২০২৬

পেনাল্টিতে এমবাপের গোল, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জিতে কোয়ার্টারে ফ্রান্স

জুলাই ৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT