নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে একটি সার্চ কমিটি গঠিত হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ইসি গঠনে সার্চ কমিটি গঠন নতুন নয়। নির্বাচন কমিশন গঠনে এবার যে কমিটি হয়েছে, তারা এখন চাইলে একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারে, যা আমাদের দেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি কেবল আগামী দিনের নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্যই নয়, অন্যান্য সাংবিধানিক নিয়োগেও অধিকতর বিশ্বাসযোগ্য বাছাই প্রক্রিয়া বের করায় সহায়ক হতে পারে। যে ৩১টি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে সংলাপে অংশ নিয়েছে, তাদেরকে মঙ্গলবার বেলা ৩টার মধ্যে পাঁচটি করে নাম প্রস্তাব করতে বলেছে সার্চ কমিটি। শনিবার সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। আবার আজ সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগে একটি আইন প্রণয়ন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল দেন। এ বিষয়টির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নাম চাওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন, এটা উচিত হয়নি। বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্য থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নাম ঘোষণা অখবা তারা প্রস্তাবিত আকারে কিছু নাম নিয়ে বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারতেন। যাই হোক, সার্চ কমিটির সদস্যদের নিয়ে আমাদের যে প্রত্যাশার জন্ম হয়েছে তা যেন কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য নষ্ট হয়ে না যায়। আমাদের প্রত্যাশা কোন বিতর্কের জন্ম না দিয়ে সার্চ কমিটি যেন দেশকে একটি স্বচ্ছ, সর্বজনগৃহীত নির্বাচন কমিশন উপহার দিতে পারে।








