নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে সার্চ কমিটির ওপর পূর্ণ আস্থা আছে বলে জানিয়েছেন বৈঠকে আমন্ত্রিত দেশের চার জন বিশিষ্ট নাগরিক।
কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পর বিশিষ্ট নাগরিকরা আশা প্রকাশ করে বলেন, দল-নিরপেক্ষ থেকেই সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতেও কমিশন গঠনে কোনো রাজনৈতিক সঙ্কট থাকবে না বলে আশা করছেন তারা।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বৈঠক শুরু হয়। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথমে পৌঁছান সাবেক সিইসি মোহাম্মদ আবু হেনা। এরপর একে একে যান সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম ও ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার আবারও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে সার্চ কমিটির সদস্যদের। মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলোর পাঠানো ১২০ জনের নাম থেকে ২০ জনের যে সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে, তার সঙ্গে আরও কিছু নাম যুক্ত হতে পারে বা ২০ জন থেকে কিছু নাম বাদও যেতে পারে।
এর আগে গত সোমবার আরও ১২ বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে বৈঠক করেছিল সার্চ কমিটি। তাদের মধ্যে ছিলেন: সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এটিএম শামসুল হুদা, সাবেক দুই নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন ও সহুল হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্য এ কে আজাদ চৌধুরী ও এস এম এ ফায়েজ, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল।
আরও ছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
ওইদিনই আরও ৫ বিশিষ্ট নাগরিককে সার্চ কমিটির সঙ্গে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুর রশীদ অর্থ আত্মসাতের মামলার আসামি হওয়ার ব্যাপারটি প্রকাশ হওয়ায় আমন্ত্রিতদের তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয় সার্চ কমিটি।
সব কর্মপ্রক্রিয়া শেষ করে রাষ্ট্রপতির কাছে সার্চ কমিটি সুপারিশ পাঠাবে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।






