বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনিশ্চিত বিজয়ের এর পথে এগিয়ে যাচ্ছে মহাজোট। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, দেশের মানুষ কখনোই সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে গ্রহণ করেনি। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সাথে সখ্যতাই কারণেই এবারের নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের মূল কারণ।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ফেনীর মহিপালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ভোটের আগে মহাজোটের পক্ষে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছিল, এ ভোটে সে জোয়ারের প্রতিফলন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে অচিন্তনীয়, অবিশ্বাস উপস্থিতি ছিল ভোটারদের। এর মধ্যে নারী ও তরুণদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ২২০ আসনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, এ ধরণের বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।
৫১ আসনে ঐক্যফ্রন্টের বর্জনের ব্যাপারে কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন বর্জন তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত নয়। ৫১ জন কেন দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বর্জন করলো তা আমার জানা নেই।
তিন মেয়াদে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে থাকবে। বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনীতির ব্যাপারে কাদের বলেন, রাজনীতিতে জোয়ার ভাটা আছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্থান-পতন হবেই। আমি বিশ্বাস করি পতনের মধ্য দিয়েই উত্থান হয়। ৭৫’র পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবারে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির পক্ষে বিষ্ফোরণ হয়েছে। এটার মূলে রয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সততা, দক্ষতা, ঐক্য ও বিগত বছরগুলোর উন্নয়ন।
কাদের এসময় আরো বলেন, আমরা একটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করতে যাচ্ছি, বিজয় উৎসব/মিছিল না করে নিজেদের সংহত রাখতে হবে। উল্লসিত না হয়ে ধৈর্য ধরে থাকতে হবে।
নির্বাচনী সহিংসতায় সারাদেশে ১৪ জনের প্রাণহানির ব্যাপারে কাদের বলেন, বিএনপি পরাজয় নিশ্চিত দেখে এসব সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। তাদের নেতাদের ফাঁস হওয়া ফোনালাপ তার প্রমাণ। এ ব্যাপারে ফলাফল ঘোষণার পরে কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং আমাদের দল থেকে দেয়া হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সাংসদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য শেখ আবদুল্লাহ।








