আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের (এএফএ) প্রেসিডেন্ট ক্লদিও তাপিয়া বলেছেন, হোর্হে সাম্পাওলির ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি,তিনি এখনো আর্জেন্টিনার কোচ আছেন।
আর্জেন্টিনার টিওয়াইসি স্পোর্টস এক প্রতিবেদনে জানায়, সাম্পাওলির আইনজীবী ফার্নান্ডো বার্দেসকে শুক্রবার মিটিংয়ের জন্য ফেডারেশনের হেড অফিসে জরুরি তলব করা হয়েছে।
সেই মিটিংয়ের আগেই সাম্পাওলির অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাপিয়া বলেন, ‘সাম্পাওলি জাতীয় দলের কোচ, তার চুক্তির মেয়াদও আছে।’
২০২২’র জুন পর্যন্ত চুক্তি আছে সাম্পাওলির। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপে দল খারাপ করার পর থেকেই সমালোচনার মুখে রয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা।
গত সোমবার ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট তাপিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন সাম্পাওলি। ওই বৈঠকের পর জানানো হয়, চলতি মাসের শেষ দিকে স্পেনে একটি টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২০ দলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সাম্পাওলিকে। সেই টুর্নামেন্টের পরই তার ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
যদিও দেশটির প্রভাবশালী পত্রিকা ওলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সোমবারের ওই বৈঠকে তাপিয়া ও সাম্পাওলির মধ্য উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। তিনি অনূর্ধ্ব-২০ দলের দায়িত্বও নিতে চান না।
ওলের রিপোর্ট অনুযায়ী, এএফএ এখন চুক্তির অবসান ঘটানোর জন্য সাম্পাওলির আইনজীবীর সাথে একটি সমঝোতা করতে চায় এবং চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত তাকে দায়িত্বে রাখার প্রস্তাব দেবে।
আসলে ক্ষতিপূরণ থেকে বাঁচতে চেষ্টা চালাচ্ছে এএফএ। সাম্পাওলি নিজে থেকে সরে গেলে সুবিধা হবে এএফএ’র। কারণ ২০১৯ কোপা আমেরিকার আগে বরখাস্ত করলে ৯ মিলিয়ন ইউরো দিতে হবে তাকে। আর কোপা পর্যন্ত তাকে রাখলে অঙ্কটা নেমে আসবে ১.৫ মিলিয়ন ইউরোতে। তবে সাম্পাওলি নিজে থেকে সরে গেলে কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না ফেডারেশনকে।
২০১৫তে চিলির কোপা আমেরিকা জেতা দলের দায়িত্বে ছিলেন সাম্পাওলি। তার সাফল্য থেকেই তাকে কোচ করেছিল আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে তাপিয়া বলেছিলেন, আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকেও ছিটকে যায়, তবু দলের দায়িত্বে থাকবেন সাম্পাওলি।
চিলির ও সেভিয়ার সাবেক কোচের জায়গায় নাম শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া ক্লাব রিভার প্লেটের মার্সেলো গ্যালার্দো, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ডিয়েগো সিমিওনে, টটেনহ্যামের হটস্পারের মউরিসিও পচেত্তিনোর ও পেরুর রিকার্ডো গার্সিকার।







