নিজেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ‘ভিকটিম’ বলে দাবি করছেন মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি। সম্প্রতি এমনটাই মন্তব্য করেছেন গণমাধ্যমকেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে।
ইন্সটাগ্রাম আর টুইটারকে তিনি উল্লেখ করেছেন সমাজের অবক্ষয়ের প্রতীক হিসেবে। শুধু তাই নয়, নিজের ভক্তদেরকেও এগুলোর নেশা থেকে বেরিয়ে নিজেদের মত করে জীবনকেকে উপভোগের পরামর্শও দিয়েছেন পেরি।
ইন্সটাগ্রামে কেটি পেরির অনুসারী ৬৮ মিলিয়ন মানুষ, টুইটারে ১০৮ মিলিয়ন। কিন্তু এতে মোটেই খুশি নন পেরি। নিজ জীবনের ঠিক কতটুকু এই মাধ্যমগুলো দিয়ে ভক্তদের জানানো উচিৎ তা নিয়ে প্রচণ্ড দ্বিধায় ভোগেন তিনি।
সোশাল মিডিয়াতে ছবি দেয়ার জন্যই যেন এখন মানুষ বেড়াতে যায়, কেনাকাটা করে, বিভিন্ন ভঙ্গিতে ছবি তোলে। নিজের জীবনের ভালো মুহূর্তগুলো উপভোগের চেয়ে কখন সবাইকে জানাবে তা নিয়েই উদগ্রীব বেশি থাকে। আর এগুলোকেই সমাজের অবক্ষয় হিসেবে দেখছেন পেরি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে একধরনের চাপ অনুভব করেন পেরি।
৩৩ বছর বয়সী পেরি এখন চেষ্টা করছেন নিজের স্বাভাবিক জীবন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষকে নিজের খবর জানানোর মধ্যে ভারসাম্য আনতে।
কেটি পেরি অবশ্য প্রথম তারকা নন যিনি এসব নিয়ে কথা বলেছেন। এর আগে সেলেনা গোমেজ, এড শিরানসহ আরও অনেক তারকা নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে ভক্ত ও জনগণের পক্ষ থেকে সৃষ্ট চাপের কথা বলেছেন।








