সাবিলা নূর (রিংকি) ক্লিপটোম্যানিয়া (চুরি রোগ)-এ আক্রান্ত। প্রায়ই সে ছোটখাটো জিনিস চুরি করে। যা নেহাতই অপ্রয়োজনীয়। কখনো কখনো চুরি করা জিনিস ব্যবহারও করেনা, ফেলে দেয়। একদিন প্রসাধনী সামগ্রীর এক অভিজাত দোকানে সে হাতেনাতে ধরা পড়ে। এরপর ঘটনা গড়ায় থানা পর্যন্ত।
অবস্থা বেগতিক দেখে প্রেমিক মনোজকে (অভিক) ফোন দেয়। পরে সে আসে। বিষয়টি মধ্যস্ততা করে। পুলিশের ওসি এসময় অভিককে পরামর্শ দেয় তার বান্ধবীকে সাইকিয়াট্রিস্ট দেখাতে। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে মান-অভিমানের সৃষ্টি হয়। এভাবে এগুতে থাকে ‘দূরত্বের নাম অভিমান’ নাটকের গল্প।
সম্প্রতি উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির দৃশ্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন দীপু হাজরা। নির্মাতা বলেন, ভিন্নধর্মী একটি গল্পে নাটকটি নির্মিত হয়েছে। নির্মাণশৈলীতে চেষ্টা করেছি ত্রুটি না রাখার। বাকিটা দর্শকই বলতে পারবেন। আমার আগের প্রতিটি কাজই দর্শক গ্রহণ করেছেন।
‘দূরত্বের নাম অভিমান’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে ড.ইনামুল হক, সাবিলা নূর, মনোজ প্রামাণিক, রিমি করিম, আসিফ নজরুল, মিলি মুন্সী, বৈশাখী গৌরি, মোহনা প্রমুখ অভিনয় করেছেন। গ্রামীণ ফোন নিবেদিত এই নাটকটি শিগগির একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে।







