বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে সর্বপ্রথম নাইমুর রহমান দূর্জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের। এরপর আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও পরীক্ষা দিয়ে আবার তারা মাঠে ফিরে আসেন। কিন্তু সোহাগ গাজী প্রথম বোলার যিনি বাংলাদেশী হিসেবে বোলিং অ্যাকশনের জন্য নিষিদ্ধ হন। পরবর্তী সময়ে অ্যাকশন পরীক্ষা উতরালেও বলের সেই আগের ধার ফিরে পাননি।
অবশ্য সোহাগ গাজীর সঙ্গে পেসার আল-আমিনে দিকেও সন্দেহের তীর ছোঁড়া হলেও নিষিদ্ধের খাড়ায় পড়তে হয়নি তাকে।
বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিতর্কের শুরু অবশ্য বেশ আগে। ১৯৯৫’র মেলবর্নে অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা বক্সিং ডে টেস্টে মুত্তিয়া মুরালিধরনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগ আনেন ম্যাচ আম্পায়ার ড্যারেল হেয়ার। এর ঠিক ১০ দিন পর ব্রিজবেনে মুরালিকে নো ডাকা হয়। তিন বছরপর আবারও শ্রীলঙ্কা অস্ট্রেলিয়া সফরে গেলে নো ডাকার দরুণ সফর বয়বটের হুমকি দেন তৎকালীন লঙ্কান অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা।
তবে বোলিং অ্যাকশনের জন্য নিষিদ্ধের খাড়ায় প্রথম পড়েন ‘রাওয়াল পিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত শোয়েব আক্তার। ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট খেলতে গিয়ে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য জন্য নিষিদ্ধ হন তিনি। অবশ্য পরবর্তী বোলিং অ্যাকশন শুধরে আবারও খেলায় নেমে পড়েন তিনি।
তবে ৯৫ এ অভিযোগ ওঠলেও কখনও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হয়নি মুরালিকে।
ক্যারিবিয়ান স্পিনার মারলন স্যামুয়েলস ও বাংলাদেশের আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে। পরে রাজ্জাকের ডেলিভারি বৈধ ঘোষিত হলেও স্যামুয়েলস শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলে যাওয়ার অনুমতি পান।
শ্রীলঙ্কান স্পিনার সুচিত্রা সেনানায়েক ও নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে ২০১৪ সালে নিষিদ্ধ করে আইসিসি। পরে সেনানায়েক অনুমতি পেলেও উইলিয়ামসনকে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলার অনুমতি দেয় সংস্থাটি।






