নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের ঘটনায় দায়ের করা দু’টি মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ২৭ জানুয়ারী ধার্য করেছে আদালত।
আজ সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিয়াজী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ওই আদেশ দেন।
মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন ও তার ৪ সহযোগীর জামিন আবেদন জানালে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আদালতে আসামীদের হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক ওই আদেশ দেন এবং আসামীদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে অসুস্থতার কারণে মামলার অন্য আসামী র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদকে আদালতে হাজির করা হয়নি।
অন্যদিকে নূর হোসেনের ভাতিজা আসামী কাউন্সিলর শাহ্ জালাল বাদলের জামিন বাড়িয়ে দেন আদালত। ওই মামলার পলাতক আসামীদের মালামাল ক্রোকেরও নির্দেশ দেয়া হয়।
সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নূর হোসেনকে সিদ্ধিরগঞ্জের একটি চাঁদাবাজি মামলায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিনের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে নূর হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সাত খুন মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন জানান, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ছুটিতে থাকায় কারণে ১নং অতিরিক্ত দায়রা ও জেলা জজ বিচারক মিয়াজী শহিদুল ইসলামের আদালতে আসামীদের হাজির করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, অসুস্থতার ভূয়া কারণ দেখিয়ে র্যাবের সাবেক সিও তারেক সাঈদকে আদালতে অনুপস্থিত রাখা হয়। এ কারণে আজ চার্জ গঠনের তারিখ থাকলেও তা পিছিয়ে যায়।
আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফ উজ্জামান জানান, নূর হোসেন ও তার গাড়িচালকসহ চারজনের জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করেন।
একটি মামলার বাদি ও নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটির অভিযোগ, আট দশটি ট্রাকে করে নূর হোসেনের সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন এনে আদালতে ভয়-ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।







