প্লেয়ার্স ড্রাফটের পর ঢাকা ডায়নামাইটসের স্কোয়াডের দিকে তাকালে একটু চমকেই উঠতে হচ্ছে! দলটিতে বিদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা যেখানে ১৪, স্থানীয় ক্রিকেটার সবে ১১ জন! প্রশ্নটা তাই উঠছেই, কেন এত বিদেশি ক্রিকেটার? যেখানে খেলানো যাবে মাত্র পাঁচজনকে। দলটির কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন দিলেন উত্তরটা, ইনজুরি বা অন্য কোনও কারণে কেউ খেলতে না পারলে তখন ভাল মানের বিকল্প পেতেই বিদেশি আধিক্যের দিকে ঝুঁকেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসরে বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। চারজনের জায়গায় খেলানো যাবে সর্বোচ্চ পাঁচজন পর্যন্ত। গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ডায়নামাইটস ড্রাফটের আগেই ১২জন বিদেশির সঙ্গে চুক্তি সেরেছে। শনিবার ড্রাফট নিয়েছে আরও দুজন, জো ডেনলি ও আকিল হোসেনকে।
প্লেয়ার্স ড্রাফট শেষে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে কথা বলতে হল খালেদ মাহমুদকে, ‘কিছু খেলোয়াড় চোটে পড়েছিল গতবার। আন্দ্রে রাসেল চলে গিয়েছিল। এভিন লুইসকে মিস করেছিলাম দুই ম্যাচে। এমন বড় খেলোয়াড় যখন মিস হয়ে যায়, সেকেন্ড ডিফেন্স যদি তখন খুব ভাল না থাকে চ্যাম্পিয়নশিপ কঠিন হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে একটা-দুইটা ম্যাচ হারলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবেন। সেটা মাথায় ছিল আমাদের। আমরা আবারও চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। যদি ইনজুরির বা অন্যকোনও কারণে কাউকে হারাই, বিকল্প যাতে থাকে সেজন্যই এত বিদেশি নেওয়া।’

বিদেশি ক্রিকেটার সংগ্রহে কাগজে-কলমে এবারও এগিয়ে ঢাকা। কুমার সাঙ্গাকারা, শেন ওয়াটসন, শহিদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আমির, এভিন লুইস, কেভিন কুপার, রাসফোর্ড বেটন, সুনিল নারাইনের মতো তারকা ক্রিকেটার আছেন গত আসরের চ্যাম্পিয়নদের দলে।
দেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে আইকন সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ধরে রাখা ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ শহীদ, মেহেদী মারুফ থাকছেন। ড্রাফট থেকে আবু হায়দার রনি, জহুরুল ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, সাকলাইন সজীব, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলাম, নূর আলম সাদ্দামকে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।








