খেলা এমন একটা দেশে, যার নাম সাউথ আফ্রিকা। যেখানে অধিকাংশ দল খাবি খায়। এমন কন্ডিশনে টেস্ট সিরিজে সাকিব নেই। বাংলাদেশ চিন্তিত হতেই পারে। কিন্তু বোর্ড পরিচালক ও সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাহমুদ সুজন বলছেন, ‘সাকিব না থাকলেও আর যে ১১ জন আছে, তারা ভালো খেলবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে স্পোর্টস বিজনেস কনফারেন্স ‘স্পোর্টস হাব বাংলাদেশ-২০১৭’তে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘সাকিব বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার। যেকোনো টিমের জন্যই প্লাস পয়েন্ট। ওর বিশ্রাম ইচ্ছাকৃত ইস্যু না। ও জানে, ওর একটা বিশ্রাম দরকার। হয়তো বা এ জন্য বিশ্রাম চাওয়া। যে কারণে বোর্ডও রাজী হয়েছে। অনেক সময় সেরা খেলোয়াড় ছাড়া খেলতে হবে আপনাকে, ইনজুরড হয়ে যেতে পারে। আমরা ওভাবেই চিন্তা করি। দলে আরও ১১ জন ছেলে আছে। যারা কাঁধে কাঁধ লাগিয়ে ফাইট করবে। সাকিব নেই তারপরও ভাল করা উচিত।’
সাকিব না থাকায় দলে বাঁহাতি স্পিনার কেবল তাইজুল ইসলাম। তার ওপর চাপ বেড়ে গেল কিনা; এমন প্রশ্নে সুজন বলেন, ‘ক্রিকেট খেলায় চাপের কিছু নেই। উপভোগ করতে হবে। আমরা সাউথ আফ্রিকায় হয়তো একটা বাঁহাতি স্পিনারই খেলাতাম। সে জায়গায় তাইজুল খেলবে। তাইজুলের হয়তো সাকিবের মতো অভিজ্ঞতা নেই। সেটা মানতেই হবে। তারপরও সে যদি তার কাজটা করতে পারে, সেটা অনেক বড় কিছু হবে আমাদের জন্য।’
২০০৮ সালে সাউথ আফ্রিকা সফরে গিয়ে দুই টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। এখন অবশ্য দিন বদলেছে। ওয়ানডের সঙ্গে সঙ্গে টেস্টেও শক্তিশালী টাইগাররা। তাইতো সাউথ আফ্রিকার মতো কন্ডিশনেও লড়াই দেখতে চাইছেন সুজন, ‘উপমহাদেশের যেকোনো টিমই হাবুডুবু খায় ওখানে গিয়ে। কঠিন তো অবশ্যই। তবে বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের পারফরম্যান্স ভাল। অস্ট্রেলিয়া টিমকে হারানোর স্মৃতি নিয়ে যাচ্ছি। রেজাল্ট নিয়ে আমি চিন্তিত নই। কী হবে, জেতা-হারা। এসব নিয়ে ভাবছি না। যোগ্যতা অনুযায়ী যদি খেলতে পারি, ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরে যদি ফাইট করতে পারি সেটা গুরুত্বপূর্ণ হবে।’
‘তবে হ্যাঁ, উইকেট টাফ হবে, কন্ডিশনও সহজ হবে না আমাদের জন্য,’ মনে করিয়ে দিতে ভুললেন না কিছুদিন আগে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা বিসিবির এই কর্মকর্তা।










