সদ্য প্রয়াত চলচ্চিত্র সম্পাদক ও নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুলকে শেষবারের মতো দেখতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছেন চলচ্চিত্র, মঞ্চ, টেলিভিশন ও শিল্প সাহিত্যাঙ্গনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।
পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া এগারোটায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয় সাইদুল আনাম টুটুলের মরদেহ। এসময় শহীদ মিনারে তার মরদেহের পাশে দেখা যায় সাইদুল আনাম টুটুলের স্ত্রী ও দুই মেয়েকে। এছাড়া শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, কনা রেজা, মুস্তাফা মনোয়ার, নির্মাতা ও সংগঠক নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম, অভিনেতা আসাদ, অঞ্জন জাহিদুর রহিম, সাহিত্যিক জাফর ইকবাল, গাজী রাকায়েত, কামার আহমাদ সাইমন, মসিহউদ্দিন শাকের, অভিনেতা তারিক আনামসহ শিল্প, সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রের মানুষ।
বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
১৫ ডিসেম্বর শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সাইদুল আনাম টুটুল। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান তিনি।

দীর্ঘদিন সিনেমা নির্মাণ না করলেও সম্প্রতি একটি নতুন ছবির শুটিং শুরু করেছিলেন টুটুল। সরকারি অনুদানে ‘কালবেলা’ নামে একটি সিনেমাটি করছেন তিনি। ২০০১ সালে আইন ও সালিশ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ‘নারীর ৭১ ও যুদ্ধপরবর্তী কথ্যকাহিনি’ বই থেকে ‘কালবেলা’ ছবির গল্প নেয়া হয়েছে।
সাইদুল আনাম টুটুল ডিরেক্টরস গিল্ডের প্রথম সাধারণ সম্পাদক ও আজীবন সদস্য। ২০০৩ সালে ‘আধিয়ার’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করে প্রশংসিত। এর আগে ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ সিনেমা সম্পাদনার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।
এছাড়াও বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘুড্ডি, দহন, দীপু নাম্বার টু ও দুখাইয়ের মতো সিনেমার সঙ্গে রয়েছেন তার সংশ্লিষ্টতা। যেগুলোর সম্পাদনায় ছিলেন তিনি।







