বাংলার স্বাধীকার আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা পর্যন্ত রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সাংস্কৃতিক আন্দোলন। একাত্তরে সশস্ত্র সংগ্রামের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠন সাংস্কৃতিক সংগ্রামকে ও জাগরণের অস্ত্র হিসেবে তুলে ধরে ছিনিয়ে এনেছে বিজয়।
দেশ ভাগের পর পাকিস্তান সরকার প্রথম আঘাত হানে পূর্ব বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর। বাঙালির নিজস্ব ভাষার উপর জোর করে চাপিয়ে দিতে চেয়েছে ঊর্দূ ভাষা।
সে সময় নিজেদের জাতি সত্তা রক্ষায় রাজনৈতিক সংগ্রামে পাশাপাশি শুরু হয় সাংস্কৃতিক আন্দোলন।
শুরুতে প্রান্তিক, অগ্রণী, ধুমকেতু, বুলবুল ললিত কলা একাডেমির মতো সংগঠনগুলো গণসঙ্গীত ও নাটকের মাধ্যমে মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সংঘবদ্ধ করেছে। গড়ে তুলেছে দাঙ্গা বিরোধী আন্দোলনও।
১৯৬১ সালে সামরিক শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রবীন্দ্র জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের ধারাবাহিকতায় জন্ম নেয় ছায়ানট। গণসাংস্কৃতিক আন্দোলনে আরেক গুরুত্বপূর্ণ নাম উদীচী। অসহযোগ আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে উজ্জীবিত করতে জাগরণের গান, কবিতা, নাটক, কথিকার মতো বিষয়গুলোকে উপজীব্য করে মুক্তির সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।
একাত্তরে ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধে বাঙালি পৃথিবীর বুকে যে কথা- মানচিত্র পেয়েছে তার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে দীর্ঘদিনের গণসাংস্কৃতিক আন্দোলন।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে








