সাংবাদিক মামুনুর রশিদের নামে সড়ক হবে তার গ্রামের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়ায়। তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার হলে মামুনের সতীর্থ ও সহকর্মীবৃন্দ আয়োজিত এক স্মরণ সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়। সেখানকার সংসদ সদস্য জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তোজা এ আশ্বাস দিয়েছেন বলে অনুষ্ঠানে জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।
অনুষ্ঠানে মামুনের জীবনের উল্লেখযোগ্য দিক ও সাংবাদিকতা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন উপস্থিত সবাই। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, সাংবাদিক হিসেবে মামুন যেভাবে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন, তা বর্তমান সময়ে সবার জন্য শিক্ষণীয়। মামুন যে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারন করে সাংবাদিকতা করেছেন তাও শিক্ষনীয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফীন সিদ্দিক বলেন, মামুন আমার ছাত্র ছিল। তার মতো হাসিমুখের একজন ছেলে এত তাড়াতাড়ি চলে যাবে তা ভাবা যায়না।
বিশিষ্ট সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল একুশে টেলিভিশনে মামুনের বিভিন্ন কার্যক্রমের স্মৃতিচারণ করে বলেন, মামুন যে পর্যায়ে যেভাবে সাংবাদিকরা করতো চাইলে সহজেই অনেক টাকার মালিক হতে পারত। কিন্তু তার মাঝে সেই চিন্তাই ছিল না। তার মৃত্যুর পর ব্যাংক একাউন্টে মাত্র কয়েক হাজার টাকা ছিল।
আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল সাংবাদিক মামুনের স্মৃতিকে ধরে রাখতে যে কোন ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এম কামাল হোসেন, যুবলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক নাসিম রূপক, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়দেব নন্দী, যুব মহিলালীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠিনিক সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও এজিএস সাদ্দাম হোসেন। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,সাংবাদিক, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ মামুনের স্বজন ও বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।
নড়াইলের লোহাগড়ায় জন্মগ্রহণ করা মামুনুর রশিদ ২০১৮ সালের এই দিনে মাত্র ৩৩ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মামুন তখন একুশে টেলিভিশনে কর্মরত ছিলেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে এশিয়ান টিভি ও বাংলাভিশনেও কর্মরত ছিলেন মামুন।








