সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দে হত্যাকাণ্ডের জন্য কুখ্যাত গ্যাংস্টার ছোটা রাজন, শুটার সতীশ কালিয়াসহ মোট নয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছেন মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালত। তাদের প্রত্যেককেই যাবজ্জীন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালে এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় সাত বছর পর রায়টি আসলো।
মামলাটিতে এশিয়ান এজের প্রাক্তন ব্যুরো চিফ জিগ্না ভোরাসহ মোট ১৩ জনের নাম জড়িয়েছিল। তবে বেকসুর খালাস পেয়েছেন জিগ্না ভোরা সহ দু’জন। বাকিদের মধ্যে এক জন এখনও পলাতক। মামলা চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে একজনের।
২০১১ সালের ১১ জুন মুম্বাইয়ের পাওয়াইয়ে রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হয় সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দেকে। ৫৬ বছর বয়স্ক জ্যোতির্ময় তখন মোটরবাইক চালাচ্ছিলেন।

পুলিশ জানায়, বেশ কিছু সময় নজরে রাখার পর তার উপর গুলি চালানো হয়েছিল। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে পুলিশের কয়েকজনের ধারণা ছিল, এশিয়ান এজের প্রাক্তন ব্যুরো চিফ জিগ্না ভোরার সঙ্গে পেশাদারি ঝামেলার জেরেই খুন হন জ্যোতির্ময়। হত্যাকাণ্ডের তিন মাসের মাথায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে প্রমাণে অভাবে আজ খালাস পেলেন জিগ্না ভোরা।

২০১৫ সালে ছোটা রাজনকে গ্রেফতার করে ইন্দোনেশিয়া থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়। ছোটা রাজন পুলিশকে জানায়, তাকে মারার জন্য দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে জ্যোতির্ময় দে হাত মিলিয়েছিলেন বলে ভেবেছিলেন তিনি।
তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি, জ্যোতির্ময়কে হত্যা করার জন্য পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছিল ছোটা রাজন। যার মধ্যে দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়।
২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রত্যার্পণের পর থেকেই তিহাড় জেলে রয়েছে ছোটা রাজন। রায়ের বিরুদ্ধে ছোটা রাজনের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হতে পারে বলে জানা যায়।







