দেশের অগ্রযাত্রাকে কেউ যেনো ব্যাহত করতে না পারে সে ব্যপারে সতর্ক থাকতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করা আর দেশকে অস্থিতিশীল করতেই বিদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন ‘শেখ হাসিনা কমপ্লেক্স’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। দুই বিদেশীকে ‘পরিকল্পিতভাবে’ হত্যা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যে শক্তি ও কর্মঘন্টা ব্যয় তা না হলে দেশ আরো উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ হতো। সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সেনাবাহিনীকে যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টা কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
বিদেশী হত্যার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঘটনাগুলো দেখে মনে হয় না এটা কোনো দুর্ঘটনা। কোনো একটা মহল পরিকল্পিতভাবেই এই ঘটনা ঘটাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘যখনই আমরা বিদেশে একটা কিছু অর্জন করি তখন এমন একটা ঘটনা ঘটানো হয় যাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তবে আপনাদের এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের অবস্থান আজ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এধরনের ঘটনা ঘটিতে কেউ দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না। এজন্য সকলের সহযোগিতা চাই। আপনারা সবাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।’
সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে বড় গুণ হলো যেকোনো দুর্যোগ, দুর্ঘটনায় তারা ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেল করে থাকেন, দ্রুত মানুষের পাশে দাঁড়ায়, মানুষের জন্য কাজ করে। জাতিসংঘ শান্তি মিশনের বাংলাদেশের সেনাবাহিনী সবসময়ই প্রশংসিত। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আজ বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সুতরাং এই সম্মান সমুন্নত রাখার দায়িত্ব আপনাদের সকলের।’
অনুষ্ঠানে পিলখানায় শহীদ ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় শাহাদাৎ বরণকারী সামরিক বাহিনীর ৬৮ জন অফিসারের পরিবারের জন্য ডিওএইচএস, মিরপুরে নির্মিত বহুতল ভবনের ৭৪টি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।







