পরিকল্পনা পেশা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বি.আই.পি) এর সম্মাননা পদক-২০২১ পেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজালাল মিশুক।
এছাড়াও সালমা এ শফী এবং মো. আশরাফুল ইসলামসহ সারাদেশের নগর, অঞ্চল ও গ্রামীণ পরিকল্পনাবিদ ও সাংবাদিকদের মধ্যে মোট পাঁচজনকে এ বছর এই সম্মাননা পদক দেওয়া হয়।
দেশের নগর, অঞ্চল ও গ্রামীণ পরিকল্পনাবিদদের জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে সোমবার এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।
পরিকল্পনা পেশা, শিক্ষা গবেষণা ও নগর সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদানকে বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে সংগঠনটি এ বছর প্রথমবার এই সম্মাননার আয়োজন করে।
দেশের সকল পরিকল্পনা পেশাবিদদের মধ্যে মো. শাহজালাল মিশুক, সালমা এ শফী এবং মো. আশরাফুল ইসলামকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। সেসময় তাদের সম্মাননা সনদের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার প্রাইজমানিও তুলে দেয়া হয়।
সম্মাননা প্রসঙ্গে মো. শাহজালাল মিশুক বলেন, আমার সৃষ্টিকর্তা, পরিবার ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। এই অর্জন আমি চুয়েট পরিবাকে উৎসর্গ করতে চাই। আশা রাখছি তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
মো. শাহজালাল মিশুক, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ থেকে ২০১৫ সালে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করে বি.ইউ.আরপি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে একই বিভাগে প্রভাষক হিসাবে যোগদান করেন। ২০১৯ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে উক্ত বিভাগে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন তিনি।
বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ টির অধিক জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি তার লেখা বিদেশ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়াও তিনি ২০১৫ সালে স্নাতক পর্যায়ে স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদ, চুয়েটে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক- ২০১৫’ মনোনীত হন। পাশাপাশি ২০১৪ সালে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনে ‘বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন স্কলারশিপ’ মনোনীত হন।
এছাড়া মো. শাহজালাল মিশুক ভালো ফলাফলের জন্য ২০১১ সালে কারিগরি শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত হন। তিনি শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনে নানা সাফল্যের জন্য বহু সম্মাননায় ভূষিত হন।







