শাসক দলের অান্তকলহ এমনকি কোথাও কোথাও থানা পর্যায়ের নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় ইউপি নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ঘটেছে বলে অভিযোগ মাঠ পর্যাযের নেতা কর্মী ও প্রশাসনের। এ পরিস্থিতিতে নাশকতার মামলা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কোন কোন নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান।
সদ্য শেষ হওয়া ইউপি নির্বাচনে রংপুর অঞ্চলের ৮ জেলায় বড় ধরনের একাধিক নির্বাচনী সহিংসতায় প্রানহানির ঘটনা ঘটেছে। আহতের সংখ্যাও একেবারে কম নয়। সরকারী দলের প্রার্থীর পক্ষে উস্কানীমুলক প্রচারনার জের ধরে মহাসড়ক অবরোধ , ইট পাটকেল ,পুলিশের গাড়ি ভাংচুর ও আগুন দেয়ার মতো ঘটনায় আইন শৃংখলা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেছে সাধারণ মানুষের। এসব ঘটনার জন্যে সরকারী দলের প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকরা পরস্পরকে দায়ী করেছে।
মাঠ পর্যায়ের পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও মনে করেন সরকারী দলের অন্তদ্বন্দ্বই নির্বাচনী সহিংসতার জন্যে দায়ী।
গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ব্যাপকহারে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করা হয় পুলিশের ওপর। রাস্তায় কাঠের গুড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করা হয়। পরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনা যাই ঘটুক পুলিশ পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিলো বলে দাবি করেন রংপুর রেজ্ঞের ডিআইজি। রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী ও মূল প্রার্থীর মধ্যে যেহেতু একই দলের সমর্থন তারা দুজনেই মনে করে মূল দল আমার পেছনে পাওয়া যাবে।এই কারণে দুই দল শক্তি প্রদর্শন করতে গিয়ে সহিংসতার কারণ।
ঢাকা রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে সরকারী কাজে বাধা দেয়া পুলিশের উপর হামলা গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে পুলিশের করা মামলা মাথায় নিয়ে পলাতক বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও তার তিন শ সমর্থক।








