সরকারি ত্রাণ ফিরিয়ে দিচ্ছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাঁওতাল সম্প্রদায়। তাদের অভিযোগ: প্রশাসন একমুখে দুই কথা বলছে। তারা একদিকে ত্রাণ দিতে চাইছে, অন্যদিকে তারকাঁটার বেড়া দিয়ে আমাদের জমি নষ্ট করছে। তাই আমরা প্রশাসনের কোনো ত্রাণ নিইনি।
গত ৬ নভেম্বর গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জে রংপুর চিনিকরের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে মিল কর্তৃপক্ষ আখ কাটা ও উচ্ছেদের ঘটনায় ৭দিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষোভ বিরাজ করছে জয়পুর ও মাদারপুর সাঁওতাল পল্লীতে। দখলে নেওয়া ইক্ষু খামারের ঐ অংশে কর্তৃপক্ষ আখ চাষ ও কাটা তারের বেড়া দেওয়ায় নতুন করে সাঁওতালদের মাঝে এ ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার সকালে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল ও ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে দুটি ট্রাক সাঁওতাল পল্লীতে গেলেও ওইসব ত্রাণ গ্রহণ করেনি সাঁওতাল আদিবাসীরা। তাদের অভিযোগ প্রশাসন একদিকে তাদের উচ্ছেদ করছে অন্যদিকে তারা দয়া দেখাচ্ছে।
এদিকে কয়েকটি গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর উষ্কানিমূলক সংবাদ প্রচার করছে এমন অভিযোগ এনে রংপুর মহিমাগঞ্জ চিনিকলের শ্রমিক কর্মচারীরা তাদের পক্ষে স্থানীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেছেন প্রকৃত বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করা হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ইক্ষু খামারে অবৈধভাবে দখল করা ঝুবড়ি ও ডেরা ঘরগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঐদিন সকালে চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ কাটতে গেলে সাঁওতালেরা উল্টো শ্রমিক ও পুলিশদের উপর তীর দিয়ে আক্রমণ চালায়।
উচ্ছেদ ও হামলার প্রতিবাদে, আজ বিকালে স্থানীয় এলাকাবাসীর পক্ষে কাটামোড় এলাকায় আদিবাসী-বাঙালী সম্প্রীতি সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে।







