চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সময় এসেছে হিসেব নেয়ার

মুহম্মদ শফিকুর রহমানমুহম্মদ শফিকুর রহমান
৮:৩৮ অপরাহ্ণ ২০, ডিসেম্বর ২০১৬
মতামত
A A

বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ দিবসগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বিজয় দিবস। আমাদের স্বাধীনতা ছিচল্লিশ বছর পার করে সাত চল্লিশ বছরে পদার্পন করল। রাজধানী ঢাকা তো বটেই, বাংলার হাজার হাজার গ্রামগঞ্জ দিবসটিকে মর্যাদার সঙ্গে উদযাপন করছে। সাধারণ মানুষের বিজয়ের বিস্তৃত হাসি আর মুখে মুখে ‘জয় বাংলা’, ‘জয়  বঙ্গবন্ধু ‘ স্লোগান । বাংলার মুক্তিপাগল লাখো কোটি মানুষ ও মুক্তিযুদ্বের চেতনায় শাণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে আমরা সাংবাদিক সমাজ এবং তাদের দ্বিতীয় আবাসস্থল, আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান জাতীয় প্রেসক্লাবে স্থাপিত হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির বেদীতেও প্রতিবছরের মত এবছরও  পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি।

বিজয়ের এই দিনে আমরা সাংবাদিক সমাজ একই সঙ্গে  শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। পাকিস্তানী মিলিটারি জান্তা জাতির পিতাকে ছাব্বিশ মার্চ একাত্তরে  ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরের বাড়ি থেকে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবার পর গ্রেফতার করে নিয়ে গেলে তার পক্ষে ও নির্দেশে মুজিবনগর সরকারের জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের  সকল শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোন এবং বেঁচে থাকলেও এক কোটি শরণার্থীর দুঃখ কষ্টকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, নারী নির্যাতনের স্মারক স্মৃতিসৌধ, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধসহ দেশব্যাপী হাজার লাখো স্মৃতিসৌধ।

যুদ্ধ চলাকালীন আমি আমার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণের কথা বলতে কথা পারি। পঁচিশ মার্চের আগের দিন বিকেলে আমি আর আমার বন্ধু আব্দুস সাত্তার পাটওয়ারী; আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হই। আমি এবং আমার বিএলএফ লিডার আবদুল মমিন খান মাখনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চাঁদপুরে গিয়ে শহীদ হন আমাদের বন্ধু জাভেদ। ঢাকায় বন্ধু চিশতি শাহ হেলালুর রহমানের মুখে আজও আমার চোখের সামনে ভাসে। চোখের সামনে ভাসে আমার সরাসরি শিক্ষক প্রফেসর ড. মুনির চৌধুরী, প্রফেসর মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, প্রফেসর আনোয়ার পাশা, প্রফেসর ড. জিসি দেব, প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন আহমেদের কথা।

কেমন করে ভুলব শহীদ সাংবাদিক সিরাজ উদ্দিন হোসেনের কথা যিনি আমাকে ছাত্র জীবনেই ইত্তেফাকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে যেমন ছাত্র জীবনের শেষ পর্বে কিছু টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন; তেমনি পরিচিত জনের মধ্যে মর্যাদার আসনে বসিয়ে ছিলেন। কেমন করে ভুলব তাদের কথা? কেমন করে ভুলব মুক্তিযুদ্ধের সময়  আমার এলাকায় (বালিথবা) তিন সদস্যের গোপন ‘সুইসাইডাল স্কোয়ার্ড’-এর মধ্যে প্রয়াত কদ্দুস ও বাশুর কথা? যাদের আমি কেবল দুইটি ব্যানেট জোগাড় করে দিয়েছিলাম। যা দিয়ে তারা ওই এলাকার মুক্ত  রেখেছিল। ঐ তিন সদস্যের অন্যতম  তাহের এখনো জীবিত আছে এবং যদ্দুর শুনেছি তাহের নাকি মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত  হয়নি। এমনি হাজারও অনুভূতির মধ্যেও বিজয়ের আনন্দানুভূতি অন্যরকম। লাল-সবুজের পতাকা আর আমার সোনার বাংলা আমাকে মূলধারার পথ দেখায়। আর সাহস যোগায় মুক্তির। শক্তির। সাহসের।

আমাকে প্রায়শই একজন  মুক্তিযোদ্বা হিসেবে, সাংবাদিক হিসেবে সর্বোপরি সমাজে একজন মুক্তবুদ্বি চর্চার মানুষ হিসেবে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, বিজয় দিবসে আপনার অনুভূতি কি? আমি তখন এক কথায় সে প্রশ্নের জবাব দিতে পারি না। বিজয়ের অনুভূতি- এ এমন এক উপলব্ধি, এমন এক আবেগ যা প্রকাশ করার কোন ভাষা আমার নেই। একে কেবল উপলব্ধি করতে হয়। বরং প্রশ্ন করা দরকার স্বাধীনতার এই ছিচল্লিশ  বছরে আপনি কি পেলেন? জাতি হিসেবে বাঙালি কি পেল? অর্থাৎ তার একটা হিসেব নেয়া দরকার। আমরা যে প্রজন্ম যুদ্ধ করেছি আমরা নই বরং যে প্রজন্ম স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি হিসেবটা তাদের জন্যেই দরকার বেশি। কারণ তারা ভবিষ্যতের নেতা, রাষ্ট্র পরিচালক। তারা যদি তাদের পূর্ব পুরুষদের না চেনেন, তাদের পূর্ব পুরুষরা বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, না রাজাকার ছিলেন তা তাদের অবশ্যই জানতে হবে। এই জানাটা জরুরী। পূর্ব পুরুষ বা পিতা, ভাই, বোন  মুক্তিযোদ্ধা হলে এক রকম আর রাজাকার হলে পরিস্থিতি হবে ভিন্ন রকম। এটি মানুষের স্বভাবজাত। নইলে স্বাধীনতার এই এতো বছর পরও কি করে একাত্তরের রাজাকার-আলবদরদের বংশধর রাজপথে দেখা যাবে? এখানো কি করে তারা ঘৃণিত রাজনৈতিক দল জামাত-শিবির সংগঠিত করার দুঃসাহস পায়? এই  দুঃসাহস দেখা যায় এ জন্যে যে, ওই ইতরেরা,  বেজন্মারা সমাজ থেকে এখনো একেবারে  নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় নি। আমাদের ব্যর্থতা আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করতে পারিনি। এই ব্যর্থতার দায়ভার আমাদের নিতে হবে, অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।

।দুই।
আজ এই বিজয়ের মাসে আমি যে মানুষটির কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব তিনি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আমাদের মাতৃসম প্রয়াত শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী। তিনি যেমন আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, অস্ত্র দিয়েছেন, এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছেন, খাবার দিয়েছেন, শীতের কাপড় দিয়েছেন, বাংলাদেশে গণহত্যার বিরুদ্ধে বিশ্বময় প্রতিবাদ ও বিশ্ববিবেককে নাড়া দেয়ার জন্য বিশ্বময় ঘুরে বেরিয়েছেন। অপরদিকে সিনেটার এডওয়ার্ড কেনেডি, ব্রিটিশ এমপি পিটার শুর ছিলেন সামনের কাতারে। সর্বশেষ মুক্তিবাহিনীর সাথে মিত্র বাহিনী পাঠিয়ে পাকিস্তানী মিলিটারি জান্তাকে সারেন্ডার করিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে মুক্ত করে দেশে ফিরে আনার পর এক মাসের মাথায় ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়ে যান, যা ছিল নজিরবিহীন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান-স্মারক। শুধু তাই নয়, বিজয়ের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনঃস্থাপন, অর্থনীতির চাকার সচল করার কাজেও মাত্র ৯০ দিনের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। যুদ্ধ দিনে বিশ্বনন্দিত কবি শিল্পীদের মধ্যে পণ্ডিত রবিশংকর, জজ হ্যারিসন, এবার সাহিত্যে নোবেল পাওয়া গীতিকার বব ডিলান যেমন আমেরিকায় বাংলাদেশ কনসার্ট করেছেন, তেমনি এডওয়ার্ড কেনেডি ভারতের শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন। ইন্দিরা গান্ধী শরণার্থী শিবির ঘুরে আকাশ বাণীতে কাঁদতে কাঁদতে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তা যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি আমার শোনার সৌভাগ্য হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধীর আবেগ ঘন বক্তব্যে সেদিন আমার, আমাদেরও চোখে পানি এসে গিয়েছিল।

Reneta

এ্যালেন গিন্সবার্গ পরিচিতিতে আমেরিকান কবি হলেও আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ব তাকে বাংলাদেশের কবি হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে সাহিত্য মহলে। গিন্সবার্গ যুদ্বের সময়, বাংলাদেশের  মানুষের করুন পরিস্থিতি স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করতে ভারতের কলকাতা থেকে যশোর রোড হয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত পর্যন্ত আসেন। পথে পথে প্রাণভয়ে নারী-শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধার যে স্রোত প্রাণ বাঁচানোর যে আপ্রাণ চেষ্টা, বর্ষার কাদা মাটি দিয়ে যে কষ্টের চলা তা তিনি তার বিখ্যাত কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’  কবিতায় অসাধারনভাবে উপস্থাপন করেছেন। পরবর্তীতে তার এই কবিতা গান হিসেবে পেয়েছে অসম্ভব জনপ্রিয়তা। তরুণ প্রজন্মের কাছে তার কবিতা কিংবা গান দুটোই এখন মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে। তরুন প্রজন্মের পাঠকদের জন্য তার কবিতাটি তুলে ধরার লোভ সংবরণ করতে পারছি না।


সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড
অ্যালেন গিন্সবার্গ


শত শত চোখ আকাশটা দেখে, শত শত শত মানুষের দল,
যশোর রোডের দু’ধারে বসত বাঁশের ছাউনি কাদামাটি জল।
কাদামাটি মাখা মানুষের দল, গাদাগাদি করে আকাশটা দেখে,
আকাশে বসত মরা ইশ্বর, নালিশ জানাবে ওরা বল কাকে।
ঘরহীন ওরা ঘুম নেই চোখে, যুদ্ধে ছিন্ন ঘর বাড়ী দেশ,
মাথার ভিতরে বোমারু বিমান, এই কালোরাত কবে হবে শেষ।
শত শত মুখ হায় একাত্তর যশোর রোড যে কত কথা বলে,
এত মরা মুখ আধমরা পায়ে পূর্ব বাংলা কোলকাতা চলে।
সময় চলেছে রাজপথ ধরে যশোর রোডেতে মানুষ মিছিল,
সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, গরুগাড়ী কাদা রাস্তা পিছিল
লক্ষ মানুষ ভাত চেয়ে মরে, লক্ষ মানুষ শোকে ভেসে যায়,
ঘরহীন ভাসে শত শত লোক লক্ষ জননী পাগলের প্রায়।
রিফিউজি ঘরে খিদে পাওয়া শিশু, পেটগুলো সব ফুলে ফেঁপে ওঠে
এইটুকু শিশু এতবড় চোখ দিশেহারা মা কারকাছে ছোটে।
সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, এত এত শুধু মানুষের মুখ,
যুদ্ধ মৃত্যু তবুও স্বপ্ন ফসলের মাঠ ফেলে আসা সুখ।
কার কাছে বলি ভাতরূটি কথা, কাকে বলি করো, করো করো ত্রান,
কাকে বলি, ওগো মৃত্যু থামাও, মরে যাওয়া বুকে এনে দাও প্রান।
কাঁদো কাঁদো তুমি মানুষের দল তোমার শরীর ক্ষত দিয়ে ঢাকা,
জননীর কোলে আধপেটা শিশু একেমন বাঁচা, বেঁচে মরে থাকা।
ছোটো ছোটো তুমি মানুষের দল, তোমার ঘরেও মৃত্যুর ছায়া,
গুলিতে ছিন্ন দেহ মন মাটি, ঘর ছেড়েছোতো মাটি মিছে মায়া।
সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, ঘর ভেঙে গেছে যুদ্ধের ঝড়ে,
যশোর রোডের দু ‘ধারে মানুষ এত এত লোক শুধু কেনো মরে।
শত শত চোখ আকাশটা দেখে, শত শত শত শিশু মরে গেল,
যশোর রোডের যুদ্ধ ক্ষেত্রে ছেঁড়া সংসার সব এলোমেলো ।

।তিন।
স্বাধীনতা পরবর্তী এই যে এতোগুলো বছর আমরা অতিক্রম করে এলাম এখন সময় এসেছে  আমরা কি পেয়েছি, কতোটা পেয়েছি, কি হারিয়েছি তার একটা সালতামামি হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। কারণ বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সামরিক শাসক জিয়া যিনি যুদ্ধের সময় ছিলেন একটি সামান্য জেড ফরসের কমান্ডার, পাকিস্তান প্রত্যাগত স্বৈরশাসক এরশাদ, খালেদা জিয়া  আমাদের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম, জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু সব ভুলিয়ে দিতে চেয়েছিল জাতিকে । বাংলাদেশকে মূলধারা থেকে বিচ্যুত করে পাকিস্তানী  ধারায় নিয়ে যেতে চেয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত ওই চক্রান্তের মধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এসে আবার আমাদের মূল ধারায় নিয়ে এসেছেন। আজকের নিবন্ধে আমরা কী পেয়েছি তা প্রথমে তা সংক্ষেপে আলোচনা করব। আমরা জাতির পিতার কন্যা আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পেয়েছি, যিনি আমাদের জন্য অনেক সম্মান এনে দিয়েছেন, দুই ডজনেরও বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিদেশী) ডক্টরেট ডিগ্রী এনে দিয়েছেন, আমাদের স্বপ্নের  পদ্মা সেত, কর্ণফুলি টানেল ঢাকা-চট্টগ্রামে একটার পর একটা ফ্লাইওভার, খাদ্য উদ্ধৃত্ত বাংলাদেশ, বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান  ও জলসীমা সংকটের সমাধান, পার্বত্য চট্টগ্রাম সংকটের সমাধান, আজ মানুষ পেট ভরে ভাত-ডাল-মাছ খাচ্ছে, ভালোভালো কাপড় পরছে, আমাদের প্রবৃদ্ধি সেভেন প্লাস  বা ফয়েরন কারেন্সি রিজাভ- সর্বোপরি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার,যা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ প্লেনের মত টেক-অফ করেছে। এমনকি বঙ্গবন্ধু কন্যার ঐকান্তিক আগ্রহ আর অনুপ্রেরণায়  আমরা একত্রিশ তলা বিশিষ্ট জাতীয় প্রেসক্লাব বঙ্গবন্ধু মিডিয়া কমপ্লেক্স নির্মাণে হাত দিয়েছি। এই মিডিয়া কমপ্লেক্স নির্মাণ আজ বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের সমন্বিত স্বপ্ন

।আশা।
আমরা এখনো কি পাইনি তা হল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী দল দল জামাত-শিবির নিষিদ্ধ হয়নি, মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা কখনো কখনো মূলধারা থেকে বিচ্যুত হচ্ছি। এখনো ক্রিমিনালাইলেজশন এবং সামাজিক ওয়ার ক্রিমিনালাইজেশন যত ক্ষীণই হোক অব্যাহত আছে। এখান থেকে আমাদের উত্তরণ ঘটাতে হবে এবং আমরা পারব ।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: মতামত
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই-আগস্টে বাড়তে পারে ডেঙ্গুর প্রকোপ, প্রস্তুতির আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জুলাই ২, ২০২৬

ফুটবলের নির্মম বিচার ‘টাইব্রেকার’: সেরা তারকাদের ব্যর্থতা আর কান্নার ইতিহাস

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘নজরুলের আবির্ভাব ছিল পরাধীন জাতির ভাগ্যাকাশে আলোকবর্তিকা’

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই ২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT