বিশ্ব বাণিজ্য উন্নয়নে হিমায়িত জীবাশ্ম জ্বালানি হাতের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। জাপান এবং চীন তাদের সমুদ্র উকূলের তলদেশ থেকে ‘দাহ্য বরফ’ নামে এই জ্বালানি উত্তোলনের পরপরইি এই সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
তবে ব্যাপকভাবে এই জ্বালানি উৎপাদনের জন্য এখনো অনেক বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে শুক্রবার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
আবার যদি যথাযথভাবে তা উৎপাদন করা না যায়, তবে জলবায়ু পরিবর্তনশীল গ্রিনহাউজ গ্যাসে বায়ুমন্ডল ভরে যাবে বলেও তারা জানিয়েছেন।
দাহ্য বরফ হচ্ছে পানি এবং ঘনীভূত প্রাকৃতিক গ্যাসের হিমায়িত মিশ্রন। বৈজ্ঞানিকভাবে যা মিথেন হাইড্রেট হিসেবে পরিচিত। হিমায়িত অবস্থাতেই একে জ্বালানো যায়। এই বরফ দাহ্যকে পৃথিবীতে সর্বাধিক পরিমান জীবাশ্ম জ্বালানিগুলোর একটি মনে করা হচ্ছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীন সাগর থেকে খনন করে এই হিমায়িত জ্বালানি উত্তোলন করা হয়। চীনের ভূমিসম্পদ মন্ত্রী জিয়াং ড্যাগিং এই ঘটনাকে একটি কার্যকর ‘বিশ্ব শক্তি বিপ্লব’ বলে ঘোষণা করেন।
জাপানের একদল খননকারীও গত ৪ মে তাদের শিমা উপদ্বীপ থেকে হিমায়িত জ্বালানীর সফল উত্তোলন অভিযানের কথা জানান। তারা যদি এই জ্বালানি সংরক্ষণ করতে পারে তবে তা তাদের কয়লা আমদানির ওপর অধিক নির্ভরতা কমাবে বলে তারা জানিয়েছেন।
এই হিমায়িত জ্বালানিকে চীনের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবংস্টিল কারখানায় ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকারক ধোঁয়া উৎপাদনরকারী কয়লার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।







