জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকার সমঝোতায় না আসলে দেশে গণবিস্ফোরণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত’ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিবেই জানিয়ে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘এই নির্বাচনে গণজোয়ার হবে। সরকার সমঝোতায় না আসলে বাংলাদেশের মাটিতে গণবিস্ফোরণ হবে। কারণ এই সরকারের অত্যাচারে মানুষের সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। মানুষের এখন অন্য কোন আশ্রয় নেই, পথ নেই। ১০ বছর ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে তারা একটি সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল।’
তিনি আরও বলেন,’নির্বাচনের আগে সরকার সংলাপ সমঝোতা করতে বাধ্য হবে। কারণ বিএনপি ছাড়া বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন হবে না। যে কোন প্রতিকূল অবস্থায় আমরা নির্বাচনে অংশ নিবো। তার আগে আমরা যখন বিভিন্ন কর্মসূচি দিবো সেখানে যে গণজোয়ার হবে, সেটি দেখে সরকার সমঝোতায় আসতে বাধ্য হবে।’
বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘এই সরকারের নিকট থেকে জনগন একটা কথাই শিখছে মিথ্যা বলতে হবে। সদা সর্বদা মিথ্যা কথা বলিবে। কক্সবাজারে যাওয়ার পথে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা কারা করেছে, কে করেছে বাংলাদেশের মানুষ সকলেই জানে এমনকি যারা এই হামলাকে অস্বীকার করছে তারাও জানে এটা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সন্ত্রাসীরা করেছে। কিন্তু মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে লজ্জাজনক ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে।’
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের উপর সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ করেছে। কারণ তারা গণমাধ্যম সংবাদপত্র এবং দেশের মানুষের স্বাধীনতায় কখনও বিশ্বাস করে না। সেই কারণেই শুধু গাড়িবহরে নয়, গণমাধ্যমের উপর আক্রমণ করেছে ছাত্রলীগ যুবলীগের সন্ত্রাসীরা।
তিনি বলেন, সরকারকে শুধু এটুকু বলবো গাড়িবহরে হামলা করে বিএনপির অগ্রযাত্রা বন্ধ করা যাবে না।
আমাদের নেত্রী আরও যাবেন। একটা অংশে মানুষের ঢল দেখেই এমন করছেন আপনারা? এই ধরনের গাড়িবহরে হামলা করে বিএনপি এবং জনগণের অগ্রযাত্রা বন্ধ করা যাবে না। আরও সফরে যাবো আমরা। দেখবো কত বহরে আপনারা আক্রমণ করতে পারেন।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মো:রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ।







