নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ থেকে: হেগলি ওভালের উইকেটে ‘রাইট ট্র্যাকে’ বল করলে পেসারদের জন্য সাফল্য অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন ৮৬ রানের ইনিংস খেলা সৌম্য সরকার। নিজের ইনিংস আরও বড় করতে না পারার আক্ষেপও করেছেন রান খরায় থাকা এ ব্যাটসম্যান।
ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করে এ টেস্টের বাইরে নিয়মিত ওপেনার ইমরুল কায়েস। আর নিজের ফর্মের সঙ্গে লড়াই চলছিলো সৌম্য সরকারের। ইমরুলের জায়গায় সুযোগ পেয়েই প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের টপ স্কোরার এ বাঁ হাতি। তবে নিজের ইনিংসটা আরও বড় করলে হয়তো বড় হতো দলের টোটালও। দিন শেষে সৌম্যর তাই আফসোসটা রয়েই গেছে।
পোস্ট ম্যাচ সংবাদ সম্মলনে সৌম্য বলেন, আমি আউট হওয়ার পরপরই সাব্বির আর সাকিব আউট হয়েছে। আমি আউট না হলে হয়তো তারা দুজনও আউট না হতে পারতো।
২’৮৯ এ নিজেরা থেমে গেলেও ৩ পেসার নিয়ে নামছে বাংলাদেশও। তাই দ্বিতীয় দিন বোলাররা নতুন আশা দিতে পারেন। হেগলির গ্রিনট্র্যাকে ব্যাট করে নিজের অভিজ্ঞতায় বোলারদের জন্য পরামর্শ আছে সৌম্যর।
পিচে কয়েকটা জায়গা আছে যেখান বল কিক করে। বলটা যদি সেখানে রাখা যায় এবং লাইন ও লেন্থ ঠিক রাখতে পারলে মনে হয় পেসাররা সফল হবেন।
টেস্টের দ্বিতীয় দিন তাপমাত্রা আরও কমবে, আর বাতাসের গতি হবে প্রথম দিনের চেয়ে বেশি। এমন আভাসই দিচ্ছে ক্রাইস্টচার্চের আবহাওয়া রিপাের্ট।








