সপরিবারে দেশ ত্যাগ করেছেন সরকারি কলেজের একজন নারী অধ্যাপক। তার স্বামীও
বিশিষ্ট চিকিৎসক। সঙ্গে আছেন দুই মেয়ে, এক মেয়ের জামাতা। দেশ ত্যাগ করার
আগে চিকিৎসক স্বামী স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিলেও ৪৬ দিনের ছুটিতে যান ওই
অধ্যাপক। জঙ্গিবাদ কিংবা উগ্রপন্থী না হলে এই দম্পতিকে দেশে ফিরে এসে সবার দুশ্চিন্তা দূর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঢাকা শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক রোকনুদ্দীন খন্দকার। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তার স্ত্রী নাইমা আহমেদ যশোরের সরকারি এম এম কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। ওমরাহ্ পালনের কথা বলে গত বছরের ১৬ মে থেকে ৩০ জুন ৪৬ দিনের ছুটি নেন তিনি।
এরপর আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। এরপর কয়েক দফা তার রামপুরার স্থায়ী ঠিকানার শিক্ষা মন্ত্রণালয় চিঠি পাঠালেও কোনো উত্তর আসেনি। এ দম্পতির এক মেয়ে ও তার স্বামী দু’জনই নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নাইমার পরিবার সদস্য ও স্বজদের ধারণা, মালয়েশিয়া থেকে তুরস্কে যান তারা। পরিবার সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ নেই তাদের। মন্ত্রণালয় বলছে, অধ্যাপক নাইমার নামে এরই মধ্যে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, অনেক আগ থেকেই এসব বিষয়ে লক্ষণ পেয়েছি আমরা। এসব ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে সবাই যখন সজাগ বা বিষয়টার প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে তখন সেভাবে দেওয়া হয় নাই। কিন্তু আমরা কিছু প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগেই জানতাম যেগুলোর নাম ইতিমধ্যেই পত্র-পত্রিকায় চলে এসেছে।
মন্ত্রণালয় বলছে, ওই নারী অধ্যাপক কোথায় আছে কিংবা করছে, সেটি প্রশ্নবিদ্ধ। তবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করলে তাও সরকার এবং দেশবাসীর জানার অধিকার আছে বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী।
সরকারি কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘ দিন ছুটি নিয়ে যারা ফিরে আসেনি কিংবা যে শিক্ষকদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড কোনো কিছুর ইঙ্গিত বহন করে তাদের তালিকা এখন শিক্ষমন্ত্রীর টেবিলে।







