কাজের ব্যস্ততার মধ্যে টোনাটুনির সংসার জীবন কেমন কাটছে প্রশ্নে বাপ্পা মুজমদার চ্যানেল আই অনলাইনকে বললেন, সংসার জীবন খুব ভালো কাটছে। বর্তমানে কাজের জন্য বিদেশ রয়েছে চাঁদনী। টোনাটুনির সংসারে ছোট্ট বাপ্পা কবে আসবে এমন প্রশ্নে মৃদু হেসে বলেন, চিন্তা করছি দু’জনে মিলে। দেখা যাক কবে এই সুখবরটি সবাইকে দেয়া যায়।
মডেল, নৃত্য ও অভিনয় শিল্পী চাঁদনীর সঙ্গে জনপ্রিয় কণ্ঠশি্ল্পী বাপ্পার কোনো ডুয়েট অ্যালবাম নেই কেনো? উত্তরে তিনি জানান, চাঁদনী গান খুব ভালোবাসে। ওর সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে আছে। কিন্তু চাঁদনী গান রেকর্ড করার মতো সাহস পাচ্ছে না। রেকর্ডি করার সাহস ওর মধ্যে যখন চলে আসবে, ঠিক তখন হয়তো ডুয়েট অ্যালবামে একসঙ্গে কাজ করবো।
এ মুহূর্তে ‘বাপ্পা মুজমদার এন্ড ফ্রেন্ডস’ অডিও অ্যালবাম নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটানোর কথা জানালেন বাপ্পা। বলেন: ‘একক অ্যালবামটিতে কিছু অসাধারণ গান নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি গানপ্রিয় দর্শকদের মন কাড়বে।’
‘বেঁধেছি আমার প্রাণ’ অ্যালবামটি নিয়ে বাপ্পা মুজমদার চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘পহেলা বৈশাখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় কিছু গান নিয়ে তৈরি হয়েছিলো এই অ্যালবাম। গানগুলো দর্শকদের অনেক ভালো লেগেছে। সাড়াও পেয়েছি প্রচুর। আশা রাখছি রবীন্দ্রনাথ নিয়ে আরো কাজ করবো।’
রবীন্দ্রনাথের পাশাপাশি নজরুলের গান নিয়ে কাজ করার ইচ্ছের কথাও জানিয়েছেন বাপ্পা মজুমদার।
গায়ক থেকে নায়ক হবার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে বাপ্পা হেসে বলেন, আমি অভিনয় পারি না, জানি না। অভিনয় শেখার মতো বয়স বা সময় কোনোটাই আমার নেই। তাই দর্শকরা কখনোই আমাকে অভিনয়ের জগতে পাবে না। নাটক ও টেলিফিল্মে প্রচুর অফার এলেও কঠিন কাজকে বারবার না করে দেওয়া হয় আমার। কারণ গান নিয়ে বাকিটা জীবন কাটতে চাই।
প্রশ্ন ছিলো, কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবীর সঙ্গে বর্তমানে ডুয়েট কোনো অ্যালবামে আপনাদের দেখা যাচ্ছে না কেন? উত্তর: আমি এবং ফাহমিদা আপা একসঙ্গে কাজ করেছিলাম একমুঠো ও একমুঠে ২ অ্যালবামে। দুটি অ্যালবাম বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো। বর্তমানে তার সঙ্গে কাজ হচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে একসঙ্গে ডুয়েট অ্যাবলাম করার চিন্তা রয়েছে। দেখা যাক ভবিষ্যৎ কি বলে।
প্লেব্যাক প্রশ্নে চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বললেন, রেকর্ডি ও লাইভ ছাড়া শো নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে প্লেব্যাক করা হচ্ছে না। ব্যস্ততা কমে আসলে আবার হয়তো প্লেব্যাক করা হবে।
শিশু ভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘তারায় তারায় দীপশিখায়’ বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন বাপ্পা। বললেন, ‘আমি ভীষণ আনন্দিত এবং সম্মানিত এই ধরণের অনুষ্ঠানে আমাকে রাখার জন্য।’
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মিডিয়াতে অনেক অপ্রয়োজনীয় কাজ হচ্ছে। যে গান গাইতে পারে না সে গান গাইছে। যে গান লিখতে পারে না সে গান লিখছে। অদ্ভুত অবস্থা।
‘এরকম একটি অবস্থায় দাঁড়িয়ে দেখলাম এতো প্রতিকূলতার মধ্যেও সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা গান গাইছে, আবৃত্তি করছে, ছবি আকঁছে, অভিনয় করছে। ব্যাপারটি আমার কাছে অসাধরণ লেগেছে। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিয়ে বা কিছুটা কমিয়ে এদেরকে যদি মিডিয়ায় আনাে যেতো তাহলে ভালো কাজ দর্শকদের উপহার দেয়া যাবে,’ বলে মনে করেন বাপ্পা।
আর এই ধরণের উদ্যোগ নেয়ার জন্য চ্যানেল আই এবং ব্র্যাককে ধন্যবাদ জানালেন বাপ্পা মজুমদার।







