সংগঠনের গঠনতন্ত্র না মেনে ছাত্রলীগের সহসভাপতি পদে থেকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা করেছে সম্পন্ন ছাত্রলীগের এক নেত্রী। তাও আবার রাজধানীর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদের আয়োজন করেন ওই নেত্রী! গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করায় নিজ সংগঠনেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমেও এর সমালোচনা সরব ছাত্রলীগ নেতারা।
ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ বুলবুল বাপ্পী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘বিয়ে করবেন করেন কিন্তু দয়াকরে সংগঠনের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে করেন। গঠনতন্ত্রে নেত্রীর করে দেয়া আইনটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর অধিকার আপনাদের কে দিলো?”
এই স্ট্যাটাসে একাধিক মন্তব্যে গঠনতন্ত্র ভঙ্গ করায় এই নেত্রীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ কর্মী ও সমর্থকরা।
তবে একটি মন্তব্যে গঠনতন্ত্রে বিয়ের বয়স নিয়ে একটি যুক্তি তুলে ধরে সমাধান চেয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক অরিন তানবিন।
তিনি লিখেছেন, ‘গঠনতন্ত্রে মেয়েদের বিয়ের বয়সের সীমা কমানো উচিৎ। বাংলাদেশের সামাজিক ব্যবস্থায় ২৯ বছর পর্যন্ত বিয়ে না করলে বিভিন্নভাবে কটুক্তির শিকার হতে হয়। বেশি বিশ্লেষণ এ গেলাম না, আপনি নিশ্চই বুঝবেন। আমি কোন ব্যক্তির হয়ে কথা বললাম না, বাস্তবতা শেয়ার করলাম। তবে কলেজ ক্যাম্পাসে এ বিয়ের অনুষ্ঠান, একেবারেই মেনে নেয়া যায় না’।
শারমিন কবীর বীথি নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসেই বা কেনো বাইরের লোকজন নিয়ে বিয়ে করতে হবে, পুরো ছাত্রলীগকে সমালোচনায় ফেলাই যেনো এদের একমাত্র কাজ’।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ক্যাম্পাসে ধুমধাম করে কলেজ মিলনায়তনে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান করেন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাসুমা আক্তার পলি। তিনি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকও। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আগামী ২৪ জুলাই মাসুমা আক্তারের বিয়ে।
এ উপলক্ষে তিনি কলেজের ভেতরে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে তার হবু বরও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দুই পরিবারের অনেক অতিথি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।








