চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

শৈশবের স্মৃতিতে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫

অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক
৫:৫১ অপরাহ্ণ ১৪, আগস্ট ২০১৬
মতামত
A A

১৯৭৫। সবেমাত্র প্রাইমারী স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে হাইস্কুলে পদার্পণ করেছি। বেশ ভালোই লাগছিলো হাই স্কুলের ছাত্র হিসেবে, শৈশব থেকে কৈশোরে পা দিলে যা হয়। বাবা, বড়ভাই-বড়বোন সবাই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তখন আমাদের এলাকায় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় বড় দু’বোন একই স্কুলের নবম কিংবা দশম শ্রেণীর ছাত্রী এবং ছাত্রলীগের স্কুল শাখার নেত্রী।

বড়বোনদের সঙ্গে স্কুলে যেতাম। দিনটি ছিলো শুক্রবার। ১৫ আগষ্ট। খুব ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে স্কুলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। তখন শুক্রবার মানে হাফ স্কুল। জুম্মার নামাজের জন্য সকাল আটটায় স্কুল শুরু হতো আর সাড়ে এগারটায় শেষ হয়ে যেতো। স্কুলে যাবার পূর্বমুহূর্তে বাবা বললেন, স্কুলে না যাবার জন্য। কিছু বুঝে উঠার আগেই দেখলাম বাবার বিষন্ন মুখে প্রিয়জন হারানোর বেদনায় বিমর্ষ, তিনি কাঁদছেন আর রেডিওর সংবাদ শুনছেন। আমাদের বাড়িতে তখন ব্রাউন চামরাবৃত একটি ফিলিপস কোম্পানির থ্রি-ব্যান্ডের রেডিও ছিলো, রেডিওটা মাঝেমধ্যে যান্ত্রিক বিভ্রাট করতো। সেদিনও সমস্যা দেখা দেওয়াতে বাবা রাগে রেডিওটা ভেঙ্গে ফেলার মতো অবস্থা করছেন। যদিও প্রথমে স্কুলে না যাবার নির্দেশ শুনে আনন্দে মেতে উঠেছিলাম। কি মজা, স্কুলে গিয়ে স্যারের ধমক খেতে হবে না। সারাদিন বাঁধনহীন মুক্ত বিহঙ্গের মতো ঘুরবো সারা গ্রাম, সহপাঠী আর বন্ধুদেরে নিয়ে থাকবো খেলায় মত্ত।

কিন্তু একটু পরেই যখন দেখলাম সারা গ্রামের পুরুষমানুষ আমাদের বাড়িতে সমবেত হচ্ছেন এবং খুবই নীচু কাঁপা কাঁপা স্বরে সেই ভয়াবহ ঘটনা সর্ম্পকে বিশ্লেষণ আর আলাপ আলোচনা করতে লাগলেন। মা আমাকে বললেন, বাড়ি থেকে না বের হবার জন্য। দেশে হয়তো আবার গন্ডগোল (সংগ্রাম) লেগে যেতে পারে। বাবাসহ গ্রামের অনেক মানুষের বেদনাবিধুঁর আর বিমর্ষতায় কৈশোরের চোখেও বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে দেশে একটি বড়রকমের অঘটন ঘটে গেছে। পরে অবশ্য বুঝতে অসুবিধা হয়নি বাংলাদেশে কত বড় সর্বনাশ ঘটে গেছে। বাংলাদেশের প্রধান প্রাণপুরুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার সেই শৈশবের চোখে দেখেছি ১৯৭১ সালের সংগ্রাম, দেখেছি হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ, মনে আছে শরণার্থী ক্যাম্পের দিনগুলোর কথা। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কতো মিছিল কতো মিটিং। ১৯৭১ সালে ছোট-বড় সবাই দেখেছে শেখ মুজিব আর নৌকার জয়জয়কার। এছাড়াও শুনেছিলাম বড়ভাই আর বাবার মুখে বঙ্গবন্ধুর কতো কথা। বঙ্গবন্ধু যখন সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় মিটিং করতেন তখন বড়ভাই শ্রীমঙ্গল কলেজের ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর কর্মী হয়ে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সভায় যাবার সুযোগ হতো আর সেখানে যেতেন এবং বাড়িতে এসে বঙ্গবন্ধু সর্ম্পকে কতো গল্প করতেন আর আমরা অন্যান্য ভাইবোনরা অপলকদৃষ্টে বড়ভাই’র কথা শুনতাম।

যাক ১৯৭৫ সালে ভালো করে রাজনীতি বুঝতাম না। শুধু মাঝেমধ্যে স্কুলের উপরের ক্লাসের বড় ভাইবোনদের জাতীয় দিবসে সঙ্গে শহীদ মিনারে প্রভাত ফেরীতে কিংবা  বিভিন্ন অনুষ্ঠানের র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করে  ‘জয় বাংলা’ ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে শ্লোগান দিয়ে বড়দের কন্ঠে কন্ঠ মিলাতাম, মিছিল করতাম। আগষ্ট ট্রাজেডির সকাল বেলা বাড়িভরা মানুষ আর ভয় ভয় চোখে বাবার পার্শ্বে বসে বড়দের চোখে জল দেখে নিজেও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।

আমার কৈশোরের চোখে দেখা সেই ৭৫-এর অভিশপ্ত সকাল বেলার কথা তখন এতো বেশী করে উপলব্ধি করতে পারিনি। আমি সেদিন ভয় ভয় চোখে কাঁপা কাঁপা অস্পষ্ট কন্ঠে মাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম বাবা কেন এমন করছেন কি হয়েছে! শেখ মুজিবতো আমাদের কোনো আত্মীয় নন, কিংবা গ্রামেরও কোন লোক নন তা হলে বাবা গ্রামবাসী আর বড় বোনরা কাঁদছে কেন, আমাদের বাড়িতে এত মানুষ সমাগম হচ্ছে কেন? মা বলেছিলেন, ‘ও তুমি বুঝবে না-বড় হলে বুঝবে, শেখ মুজিবের জন্য সারা দেশের মানুষ কাঁদছে নীরবে নিভৃত্তে, শেখ মুজিব সবার আত্মার আত্মীয়, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন বড় নেতা।’

Reneta

না, সেদিন জাতির জনক হত্যার বিষয়টি ভালো করে না বুঝলেও কয়েক বছর পরই বুঝতে অসুবিধা হয়নি ১৯৭৫-এর সেই কালো রাতে কি ঘটেছিলো বাংলাদেশের মাটিতে। কী ভয়াবহ কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটেছিলো বাংলাদেশে, কী ভয়ানক ধ্বংসের মাতমে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলো মানুষের ভাষা, স্তম্ভিত বাকরুদ্ধ হয়েছিলো গোটা দেশবাসী সেই অবিশ্বাস্য-অভাবনীয়-অকল্পনীয়-অচিন্তনীয় এই নিষ্ঠুরতম, নৃশংসতম, বিভীষিকাময় বর্বরোচিত ও মর্মস্তুদ নারকীয় হত্যাযজ্ঞে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে মানুষ ছিলো বিপন্ন ভারাক্রান্ত জনক হারানোর শোকের মাতমে স্তম্ভিত। মনে আছে  ১৫ আগষ্টের ২/৩ দিন পর স্কুলে গিয়ে দেখি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অফিসে টাঙ্গানো বঙ্গবন্ধুর ছবি নেই। অনেকদিন পর জানতে পেরেছিলাম ১৫ আগস্ট সকালেই শিক্ষকরা  বঙ্গবন্ধুর ছবি নামিয়ে অফিসের ভিতর কাঠের আলমারির পিছনে লুকিয়ে রেখেছেন।

৭৫-এর ১৫ আগষ্টের পরপরই লোকায়িত উঁই পোকার মতো ঝাঁক ঝাঁক স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক হায়েনা রাজাকার আলবদররা ইঁদুরের গর্ত থেকে বের হয়ে অকস্মাৎ ঝাঁপিয়ে পরেছিলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির উপর বিশেষ করে আওয়ামী লীগ আর সংখ্যালঘুদের ওপর। নির্বিচারে হত্যা-ধর্ষণ-সংখ্যালঘু নির্যাতন শুরু হয় চোখের পলকে। বুঝে উঠার আগেই প্রশাসনের সকল ক্ষেত্র বদলে যায়, প্রশাসনে পাকিস্তানপন্থিরা শুরু করে দেয় স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের ওপর নির্মম অত্যাচার।

মনে আছে এখনো, কমলগঞ্জ হাই স্কুলের পাশেই ছিলো থানা। থানার ভিতরে ছিলো বিশাল একটি তমাল গাছ। সেই তমাল গাছে হাত-পা-চোখ বেঁধে কী মধ্যযুগীয় বর্বর নির্যাতন করতে দেখেছি কমলগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ক্যাপ্টেন পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর চাচাকে (বর্তমানে প্রয়াত), বীর মুক্তিযোদ্ধা বিধান দাসসহ অনেককেই। আমার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল এবং পার্শ্ববর্তী বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা মিহির কাকুকে পুলিশ খোঁজছিলো। বাবা দেশের অবস্থা ভয়ানক হবে ভেবেই বড় ভাই আর মিহির কাকুকে এলাকার বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। আমার বড়ভাই’র মুখ থেকে পরে শুনেছিলাম শ্রীমঙ্গলের খ্যাতিনামা জননেতা পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগ নেতা ইসমাইল হোসেন (বর্তমানে প্রয়াত) ও শ্রীমঙ্গলের সাবেক পৌরসভা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিমকে পুলিশ অমানুষিক নির্যাতন করে হাত পা ভেঙ্গে দিয়েছিলো।

এটা শুধু একটি এলাকার কথা তুলে ধরলাম এভাবে সারা দেশে আতংক সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করার জন্য খুনিরা মেতে উঠেছিলো। যা বছরের পর বছর যুগের পর যুগ ধরে চলছিলো। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের মাত্র ৩/৪ দিনের পর দেখেছি আমাদের এলাকার নামকরা রাজাকার স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অসংখ্য সংখ্যালঘু মানুষের হন্থারক অসংখ্য নারীর  ধর্ষণকারী কুখ্যাত ত্রাস মুজিবুর রহমান কমরু মিয়া (পরবর্তীতে ইউপি মেম্বার)সহ আনোয়ার খান (পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান)দের উত্থান, দেখেছি তাদের আক্রমণে কী করে নির্যাতিত হয়েছিলো স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের।

থানার পুলিশ অফিসার আর পুলিশের নির্যাতনের ভয়ে এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছিলো, তাদের অপরাধ ছিলো তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা। আমার বড় ভাইও ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা তিনিও বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছিলেন। দেখেছিলাম কী করে রাতারাতি ভারত বিদ্বেষী উস্কানীমূলক কর্মকাণ্ড, ভারতীয় কোনো পণ্যের জন্য স্থানীয় হিন্দুদের বাসা-বাড়িতে তল্লাশির নামে নির্যাতন। আমাদের বাড়িতে ভারতের পন্স পাউডার ও ব্রোনলিনের টিউবসহ ভারতীয় কিছু পণ্য ছিলো যা ভারতে শরণার্থী ক্যাম্পে থাকাবস্থায় আনা হয়েছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট পর তা গোবরের গর্তে লুকিয়ে রাখতে হয়েছিলো দানবদের ভয়ে।

নিজের অজান্তেই সেই ১৫ আগষ্টের ইতিহাসের ভয়াবহ কলংকিত সেই ভোর আমার বিবেককে দংশিত করেছিলো, আমার কৈশোর জীবনের দুঃসহ স্মৃতি আমাকে পীড়িত করে আমার মনে যে ক্ষত হয়েছিলো তা থেকেই আমাকে ধাবিত করেছিলো সেদিনের সেই শোককে শক্তি হিসেবে এগিয়ে যাবার ফলে ক্রমান্বয়ে বঙ্গবন্ধু ভক্ত হয়ে সত্যিকারের বঙ্গবন্ধু প্রেমিক হয়ে ছাত্র রাজনীতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ি। এই রাজনীতি করতে গিয়ে জীবনের কতো সহস্র চড়াই-উৎরাই পেরুতে হয়েছে, স্বৈরাচার খুনি জিয়া-এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে জেল-জুলুম-অত্যাচার সইতে হয়েছে। মৃত্যুর মুখোমুখি থেকে কতোবার বেঁচে গিয়েছি যা শরীরের অসংখ্য ক্ষতচিহ্ণ এখনো আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই দুঃসহ দিনগুলোর অতীত বিন্যাসে প্রবাসের এই কষ্টকঠিন সময়ের মাঝেও।

প্রায় ৪১ বছর হলো স্বাধীনতা বিরোধী বাংলাদেশের কতিপয় অসভ্য সামরিক কর্মকর্তা তাদের অসৎ চরিত্র বাস্তবায়ন করার লক্ষে হাজার বছরের এই শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করলো, কিন্তু এই ৪১ বছরে আমরা কি পেলাম আর কি হারালাম তা এখন ভেবে দেখার সময়। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ চিরসত্য অবিচ্ছেদ্য, যা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তিনি ছিলেন বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্ন দ্রষ্টা।

প্রবাসের কষ্ট-কঠিন সময়ে ৭৫-এর ১৫ আগষ্টের সেই চিরন্তন অমলিন স্মৃতি আমাকে কাঁদায়। ২৪/২৫ বছর ধরে প্রবাস জীবনে জাতীয় শোক দিবসে একান্ত নীরবে জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর প্রতি পারিবারিকভাবে শ্রদ্ধা জানাই, কম্পিউটারে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ বাঁজিয়ে শতাব্দির অমর কাব্যখানি পরিবারের সবাইকে নিয়ে কয়েকবার শুনি। এদেশে জন্ম নেওয়া আমার সন্তানদের বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ সর্ম্পকে বলি। আমার ঘরের শোকেসসহ দেয়ালে লাগানো বঙ্গবন্ধুর ছবিগুলো দেখিয়ে বঙ্গবন্ধুর মতো মহামানবের গল্প বলি। যে নেতার জন্ম না হলে হয়তো পৃথিবীর মানচিত্রে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ পেতাম না, আজ আমরা প্রবাসের মাটিতে গর্ব করে বলতে পারতাম না, আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের দেশ, বাংলা আমাদের (আন্তর্জাতিক) মাতৃভাষা।

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের কন্ঠে বাঁচার আকুতি পত্রিকায় পড়ে আমি কতবার যে কেঁদেছি। ’৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের সেই বেদনাবিধুঁর কথাগুলো মনে পড়লেই আপ্লুত হয়ে যাই। শেখ রাসেল আর আমি একই সালে জন্ম গ্রহণ করি, বেঁচে থাকলে আমার মতো মধ্যবয়সি হয়ে যেতো।  

৪১ বছর ধরে বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, শতাব্দীর মহামানব, টুঙ্গিপাড়ার ঘণ বনবিথীর ছায়াতলে, মধুমতি নদীর কলতানে ঘুমিয়ে আছেন বাংলার প্রিয় জনক শেখ মুজিব। তাঁর তিরোধানে সেই মাটি এখন বাঙালির তীর্থভূমি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বাংলা ভাষা থাকবে, যতদিন পৃথিবীর চন্দ্র-সূর্য থাকবে ততোদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন শতাব্দি থেকে হাজার লক্ষ বছর অনন্তকাল মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায়। বাঙালির হৃদয়ে তিনি আকাশের মতো ভালোবাসা আর মহা সাগরের মতো শ্রদ্ধা নিয়ে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল, শতাব্দি থেকে শতাব্দি, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।

কিছু খুনিদের বিচার কার্যকর হওয়াতে সারা বিশ্বে বসবাসরত প্রবাসিরাও খুশি বাংলাদেশের মানুষের মতো একমাত্র বিএনপি-জামাত বাদে। বাকি খুনিদেরকে বিদেশ থেকে নিয়ে ফাঁসি কার্যকর করলেই দেশ জাতি কলংক আর গ্লানি থেকে মুক্তি পাবে পাশাপাশি খুনিদেরকে যারা যুগের পর যুগ বাঁচিয়েছে আশ্রয়-প্রশ্রয় অর্থভিত্ত সুযোগ সুবিধা কিংবা বিদেশে পাঠানো চাকুরি দিয়েছে কিংবা ইনডেমনিটির মতো কালো আইন করেছিলো তাদের বিচার হওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি প্রয়োজনে মরণোত্তর বিচার হলেই জাতি কলংমুক্ত হবে।
জাতির জনকের তিরোধান দিবস শোকাবহ আগস্টে তাঁর প্রতি রইলো আমার বিনম্র শ্রদ্ধা।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল
আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: বঙ্গবন্ধু
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

নেটদুনিয়ায় তোলপাড়, বাংলাদেশে কি তৈরি হচ্ছে ‘ডিডিএলজে’?

জুলাই ৩১, ২০২৬

জুমার দিনে কেন বেশি বেশি দরূদ শরিফ পাঠ করবেন?

জুলাই ৩১, ২০২৬

কর্মক্ষেত্রে এমপ্লয়ার ব্র্যান্ডিং কেন জরুরি?

জুলাই ৩১, ২০২৬

আর্জেন্টিনা বিদ্বেষীদের বিতাড়িত করতে অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই

জুলাই ৩১, ২০২৬

জন্মদিনে খুরশীদ আলমকে নতুনভাবে জানার সুযোগ!

জুলাই ৩১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT