৫৫ ঘন্টায় ১শ’ ৬০ জন শিল্পীর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবের পঞ্চম আসর। সুরের আলোয় ভবিষ্যত প্রজন্মকে আলোকিত করার প্রত্যাশার কথা জানান আয়োজক ও বিশিষ্টজনেরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের দলীয় পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবের শেষ দিন। এরপর আর্মি স্টেডিয়ামের দর্শক-শ্রোতাদের সেতারের ঝংকারে মুগ্ধ করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীরা।
হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে পাঁচ বছর ধরে সফলভাবে চলা এ আয়োজন নিয়ে ভবিষত্যের ভাবনার কথা জানান আয়োজকরা।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু বলেন, বাংলাদেশের মতো জায়গায় ৯৭ শতাংশ মানুষ বাংলাভাষায় কথা বলে সেখানে কোনো অপশক্তি থাকতে পারে না। যারা ভুল পথে গেছে তাদেরকে সঠিকভাবে ফিরিয়ে আনার জন্য কর্তব্য এ দেশের মানুষের। প্রধানমন্ত্রীর কাজে আমি আহ্বান জানাচ্ছি সারাদেশে যেন আগামী পাঁচবছরের মধ্যে তিন হাজার সিনেমা হল নির্মাণ করা হয়।
সমাপনী আয়োজনে উপমহাদেশের সব চেয়ে বড় এ সংগীতায়োজন নিয়ে কথা বলেন বিশিষ্টজনেরা।
দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, এই নতুন ঢাকায় চমৎকার অনুষ্ঠানটি বিগত পাঁচবছর ধরে চলছে। পুরনো ঢাকার অনেক লোক উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত উপভোগ করে, যদি এরকম একটি অনুষ্ঠান পুরনো ঢাকায় করা যায় তাহলে খুব ভালো হয়।
উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, যারা সঙ্গীতের মানুষ তারা আমাদের ভালো রাখার জন্যে, আমাদের মনকে পরিবর্তন করার জন্যে এতো সমস্যার মধ্যেও আমাদের অন্য একটি জগতে হারিয়ে যাবার জন্যে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী বলেন, অনুষ্ঠানটির করার যারা উদ্যোগ নিয়েছেন তাদের কঠোর পরিশ্রম না থাকলে এতা সুন্দর করে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হতো না। 
ব্র্যাক প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান অাবেদ বলেন, আশা করছি এ উৎসব যদি প্রতিবছর করা হয় তাহলে আগামীতে আমাদের দেশে নতুন অালাউদ্দিন খান, রবি শংকর’র মতো গুনী শিল্পীদের সন্ধান পাওয়া যাবে।
শিব কুমারের সন্তুরের মায়াবী সুরে মোহিত হাজারো সংগীতপ্রেমী। অপেক্ষার পালা শেষে মঞ্চে আসেন পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া।
চৌরাসিয়ার বাঁশির আলাপ আর রাগ-রাগিনীর সুরে স্তব্ধ যখন পুরো স্টেডিয়াম তখন নতুন ভোরের সূর্য পূব আকাশে।








