বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটার্ন, ফিলিং স্টেশন ও হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের প্রবেশ-বাহির পথ বন্ধের প্রস্তাব ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। এ প্রস্তাবের প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও রেস্টুরেন্টের কর্মচারীরা মানববন্ধন করেছেন।
মানবন্ধনে আসা স্থানীয়দের আশঙ্কা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে এলাকার জণগন, এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী, দূরপাল্লার যানবাহনের চালক-শ্রমিক এবং পার্শ্ববর্তী একটি মসজিদের মুসল্লিরা চরম ভোগান্তির শিকার হবেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের একই রুটে অবস্থিত ফিলিং স্টেশন ও সেবামূলক স্থাপনায় প্রবেশ ও বাহির পথ বহাল থাকলেও সংশ্লিষ্ট স্থানের ইউটার্ন ও প্রবেশপথ বন্ধ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে করে আশপাশের বসতি ও মহাসড়কসংলগ্ন মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায়ে আগত মুসল্লিদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ।
মানবন্ধনকারী সোলাইমান, গোলাম, আকবর, রবিউল ইসলামসহ অনেকে বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি কেবল প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পায় এবং সাধারণ মানুষের চলাচল, ধর্মীয় কার্যক্রম ও জরুরি সেবার বিষয়গুলো উপেক্ষিত থাকে, তবে তা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে। তারা দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ইউটার্ন ও প্রবেশপথ বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে জনস্বার্থ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং বিকল্প পথের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।
সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প সাসেক-২ এর আওতায় মহাসড়কের অবকাঠামোগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে আলোচিত ইউটার্ন ও প্রবেশপথ বন্ধের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে। গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সাসেক-২ (ডব্লিউপি-৭) প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার-৩ বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথ বন্ধের আগে যথাযথ সমীক্ষা, বিকল্প ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন।








