শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। উৎসব শুরুর প্রাক্কালে মঙ্গলবার চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। ভোরে মন্দিরে মন্দিরে চণ্ডীপাঠের মধ্য মিয়ে আবাহন ঘটে দেবী দুর্গার।

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় দেবীর বোধন। এর মধ্য দিয়ে দেবীর আগমনধ্বনি অনুরণিত হবে। এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীতে দশভুজা দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যদিয়ে শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ২৭ সেপ্টেম্বর মহাসপ্তমী, ২৮ সেপ্টেম্বর মহা অষ্টমী ও কুমারী পূজা, ২৯ সেপ্টেম্বর মহানবমী এবং ৩০ সেপ্টেম্বর বিজয়া দশমী। দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচদিনের দুর্গোৎসব।

মহালয়া উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

সনাতন বিশ্বাস ও পঞ্জিকানুযায়ী জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যলোকে আগমন ঘটবে নৌকায়। যার ফল শস্যবৃদ্ধি। আর দশমীতে দেবীর বিদায় নিয়ে স্বর্গালোকে গমন হবে ঘোটকে অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে। যার ফল হচ্ছে শস্যহানি।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গত আটাশ বছর ধরে ঢাক বাজিয়ে আসছেন নিখিল।চ্যানেল আই অনলাইনকে নিখিল জানালেন, তার ঢাকের শব্দে দেবীর আগমন আবার তার ঢাকের শব্দেই দেবীর গমন।

ভক্তকূলের অধীর আগ্রহ নিয়ে পূজা শেষে প্রসাদ গ্রহণের অপেক্ষা।

দূর্গাপূজার প্রতিমা প্রস্তুত। শেষ হয়েছে দেবীকে আমন্ত্রণ জানানোর আনুষ্ঠানিকতাও।

ছোট্ট শিশু সৌম্য এসেছে বাবা-মা’র সাথে। পূজা উপলক্ষে খুব খুশি সে। পূজায় পরবে নতুন পোশাক। বেড়াতে যাবে দীদার কাছে।








