একাত্তরের বীর গেরিলা, ‘ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার, সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’র সম্পাদক, শহীদ জননীর ‘একাত্তরের দিনগুলি’র পাতায় পাতায় উচ্চারিত হয়েছে যার নাম, তিনি হলেন শাহাদাত চৌধুরী। আজ ২৮ জুলাই এই মহান দেশপ্রেমিকের জন্মদিন।
মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধের পর দেশ-মানস গঠনের নতুন যুদ্ধে নিবেদিত প্রাণ শাহাদাত চৌধুরীর জন্মদিনে স্মৃতি-শ্রদ্ধায় ‘শাচৌ মামা’কে স্মরণ করেছেন শহীদ সুরকার আলতাফ মাহমুদ-কন্যা শাওন মাহমুদ।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে শাওন লিখেছেন, “শুভ জন্মদিন শাচৌ মামা। আমাকে দেখা মাত্র যে মানুষটির চোখ বেয়ে পানি বের হতেই থাকতো। যতক্ষণ সামনে থাকতাম ততক্ষণ। শাচৌ মামার ধারনা ছিল বাবাকে তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে জড়িত করবার কারনে আমি বাবাকে হারিয়েছি। ওনার কান্না দেখে আমি তাঁর থেকে লুকিয়ে বেড়াতাম। লুকিয়ে দেখতাম। মুক্তিযোদ্ধারা যে বাঘের বাচ্চা তা এঁনাদের সাথে বেড়ে না উঠলে জানতে পারতাম না।
মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত চৌধুরী। বিচিত্রার সম্পাদক শাহাদত চৌধুরী। এই মানুষটি জন্মেছিলেন ১৯৪৩ সালের ২৮ জুলাই। ২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর শাহাদত চৌধুরী এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ‘ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার। স্বাধীনতার পর বাঙালি মধ্যবিত্তের রুচি গঠন ও বিকাশের গাইড ছিল শাহাদত চৌধুরীর সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকাটি।
খালেদ মোশারফের ২ নম্বর সেক্টরে গেরিলা শাহাদত চৌধুরী। গেরিলা তাঁরা তিন ভাই শাহাদত চৌধুরী, ফতেহ চৌধুরী, মোরশেদ চৌধুরী। ’৭১-এ ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম ঘাঁটি ছিল শাহাদত চৌধুরীদের হাটখোলার বাড়ি।
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’র পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছেন শাহাদত চৌধুরী”।
ছবি : শেখ আফজালের তুলিতে এবং মেজর আখতারের ক্যামেরায় শাহাদত চৌধুরী।







