নিহত শিশু রাজনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পুলিশের হাতে এসে পৌঁছেছে। আঘাতের পরে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে শিশু রাজনের। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৬৪টি আঘাতের চিহ্ন সনাক্ত করেছে ময়নাতদন্তকারী।
সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার ভিডিও হত্যাকারীরা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিলে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। শিশু রাজনের লাশ গুম করার চেষ্টা করার সময় ঘটনার সাথে জড়িতের অভিযোগে মুহিত নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক মুহিতকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাইলে শুনানির পরে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিলেটের মহানগর হাকিম আদালত (এমএম-২) এর বিচারক ফারহানা ইয়াসমিন আজ সোমবার এ আদেশ দেন।
শিশু রাজনের সকল হত্যাকারীদের ধরতে প্রশাসনের প্রতি ১২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে এলাকাবাসী। এর মধ্যে সকল খুনিরা গ্রেফতার না হলে সিলেট অচল করার মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
মঙ্গলবার সিলেটের কুমারগাঁও উপজেলার বাস স্টেশন এলাকার সুন্দর আলি মার্কেটের সামনে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। শিশুটি আদৌ চুরি করেছিলো কিনা সে বিষয়ে কেউই কিছু বলতে পারেনি। অথচ তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। রাজনের পিতাসহ এলাকাবাসীর ধারণা ঘটনার পরপরই মূল অপরাধী কামরুল বিদেশে পালিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় ৪ জনকে আসামী করে মামলা করে।





