শিরোপা জেতার পথে সবশেষ কঠিন পরীক্ষাতেও সহজে পাশ করল চেলসি। এভারটনকে তাদেরই মাঠে ৩-০ গোলে হারিয়েছে অ্যান্টনিও কন্তের দল। ফলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা টটেনহ্যামের চেয়ে পরিষ্কার ৭ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শিরোপার আরও কাছে চলে গেল ব্লুজরা।
চেলসির জয়ের রাতে হারতে হারতে ড্র করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। মাঠে নামার আগে সোয়ানসি সিটির বিপক্ষে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ড্র করায় লিভারপুলকে টপকে শীর্ষ চারের জায়গাটা পোক্ত করার সুযোগ ছিল গার্দিওলার দলের। কিন্তু এমন ম্যাচে মিডলসবরোর বিপক্ষে কোন মতে ড্র করে সিটিজেনরা।
চেলসির জয়টা তিন গোলের হলেও প্রথমার্ধে কোন গোল পায়নি তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৩০ মিনিটের ভেলকিতে কপাল পোড়ে এভারটনের। ৬৬ মিনিটে নেমানজা মাটিচের পাস থেকে বল পেয়ে ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন পেদ্রো রদ্রিগেজ।
ম্যাচের ৭৯ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করে চেলসি। এডেন হ্যাজার্ডের নিচু ফ্রি-কিক এভারটনের মানব দেয়ালে লেগে ফিরে এলেও পরের সুযোগে গোল করেন গ্যারি কাহিল।
খেলা শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে এভারটনের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন উইলিয়ান। হ্যাজার্ডের বদলি হিসেবে নামার দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করেন এই ব্রাজিলিয়ান।

অন্যদিকে, মিডলসবরোর বিপক্ষে দুবার পিছিয়ে পড়েও জয়সম এক ড্র নিয়ে ফিরেছে ম্যানসিটি। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে মিডলসবরোকে লিড এনে দেন সিটির সাবেক তারকা আলভেরো নেগ্রেদো।
প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ম্যানসিটি। অবশেষে ৬৯ মিনিটে সুযোগ আসে। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান সার্জিও আগুয়েরো। কিন্তু আট মিনিট পর আবারও লিড নেয় মিডলসবরো। ক্যালাম চেম্বার্সের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
হারের শঙ্কা যখন পেয়ে বসেছিল সিটিকে, তখন ত্রাতার ভূমিকায় দেখা দেন গ্যাব্রিয়েল জেসাস। ৮৫ মিনিটে আগুয়েরোর পাস থেকে গোল করে হারের লজ্জা থেকে দলকে রক্ষা করেন ব্রাজিলিয়ান তরুণ তুর্কি।
লিগে ৩৪ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে প্রায় সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে চেলসি। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে সিটি। এক পয়েন্ট কম নিয়ে পাঁচে ম্যানইউ। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে লিভারপুল। ৩৩ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে টটেনহ্যাম।







