১৪ দলের নেতারা বলেছেন, প্রশিক্ষিত শিবির সদস্যরাই সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যা ও জঙ্গি-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তারা বলেছেন, জামায়াত এ কাজে অর্থ ব্যয় করছে। মীর কাসেম আলীর ফাঁসি অপেক্ষমান থাকা এর কারণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ১৪ দল নেতারা।
গুলশানের হলে আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে করণীয় নিয়ে বৈঠক করে ১৪ দল। সে সময়, নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নিহতদের স্বজনদের প্রতি সহানুভূতি জানান। তিনি বলেন, দানবীয় শক্তিকে পরাজিত করা হবে।
পরে, সাংবাদিকদের ১৪ দলের আরেক নেতা রাশেদ খান মেনন বলেন, সাম্প্রতিক কালের সকল সন্ত্রাসী হামলা ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে।
আগামী ১১ জুলাই শহীদ মিনারে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ১৪ দল। ১২ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি করা হবে। এছাড়াও ২৪ জুলাই থেকে ৭ দিন সারাদেশে সমাবেশের ঘোষণা দেয় ১৪ দল।








