বেশ কিছু কারণে মফস্বলে স্কুলের ফলাফল খারাপ হয়। শিক্ষা গবেষকদের অভিযোগের ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখা যায় সমস্যার জট আরো অনেক বেশি। নেই শিক্ষা উপকরণ, সেই সঙ্গে শিক্ষক সংকট তো আছেই।
ত্যাগী শিক্ষকদের প্রশ্ন, সরকার একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায়, কিন্তু এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ কম হলে কি লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব?
শরীয়পুরের পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। একটা সময় ওই অঞ্চলের একমাত্র বিদ্যালয় ছিলো এটি। তবে এখন সেখানে সমস্যার পাহাড়। মোট ৫২টি পদে শিক্ষক আছেন মাত্র ২৫ জন। অফিস সহায়কের পদ ১৬টি। তবে আছেন মাত্র একজন।
শিক্ষকের অভাব থাকায় পুরো সিলেবাস পড়াতে পারেন না শিক্ষকরা। শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে আমরা ক্লাসগুলো যথাযথভাবে নিতে পারছি না।
শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষকের এতো অভাব যে, অনেক সময় ধর্ম শিক্ষককেও পড়াতে হয় গণিতের মতো বিষয়।
আরেক শিক্ষক মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন, পাঠপরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা ফলাফল ভালো করতে পারছি না।
খুব দ্রুতই এই সমস্যা সমাধানের আশা করছেন শিক্ষকরা।






