শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই এবার হলেন জাতিসংঘের কনিষ্ঠতম শান্তির দূত বা ‘ইউএন মেসেঞ্জার অব পিস’।
যুক্তরাজ্যের অন্যতম প্রধান একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ-লেভেলে অধ্যয়নরত ১৯ বছর বয়সী মালালা এই পদবীতে থেকে নারীশিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের এই সম্মাননা গ্রহণ করে মালালা বলেন, ‘পরিবর্তনের শুরু আমাদের সঙ্গে আসে এবং আমাদেরকে শুরুটা এখনই করতে হবে। আপনারা (মেয়েরা) যদি নিজের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল দেখতে চান, তবে আপনাদেরই তার জন্য এখন থেকে কাজ শুরু করতে হবে, আর কারও জন্য অপেক্ষা করা যাবে না।’
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুটেরেস তার বক্তব্যে মালালা ইউসুফজাইকে ‘সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস – ‘সবার জন্য শিক্ষা’ বিষয়টির প্রতীক’ বলে উল্লেখ করেন।
গত মাসে মালালা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি রাজনীতি, দর্শন এবং অর্থনীতি বিষয়ে এ-লেভেল করার প্রস্তাব পান। শুধু শর্ত একটাই, তিনটি বিষয়েই তাকে ‘এ’ গ্রেড পেতে হবে। এই প্রস্তাব গ্রহণ করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি হন। তবে প্রতিষ্ঠানটির নাম মালালা প্রকাশ করেননি।
২০১২ সালে নারীশিক্ষা এবং মেয়েদের স্কুলে যাওয়া অধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ায় পাকিস্তানের কিশোরী মালালাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে তালেবান হামলাকারীরা।
মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরার পর আবার নারী শিক্ষা ও নারী অধিকার নিয়ে তিনি কাজ শুরু করেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৪ সালে মালালা ইউসুফজাইকে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।







