গুসি শান্তি পদক পেলেন কৃষি উন্নয়নে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। ম্যানিলা ভিত্তিক সংস্থা, গুসি পীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের এই উন্নয়ন সাংবাদিকের সঙ্গে সম্মানিত করেছে কিরগিজস্তান ও পর্তুগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট কে।
দারিদ্র্য দূর করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালানোর অঙ্গীকার করেছেন পদকপ্রাপ্তরা।
বিশ্বের ১৮ কীর্তিমানের সঙ্গে এবছর বাংলাদেশের উন্নয়ন সাংবাদিক শাইখ সিরাজ গুসি শান্তি পদক পাবেন, ২৫ অক্টোবর ঘোষণা দেয় গুসি ফাউন্ডেশন।
প্রায় ৪ দশকের উন্নয়ন সাংবাদিকতার মাধ্যমে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য তার এই স্বীকৃতি।
ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় মনোনীতদের হাতে পদক তুলে দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা।
একে একে জাতীয় পতাকা হাতে স্বেচ্ছাসেবীরা মঞ্চে নিয়ে আসেন সম্মাননার জন্য নির্বাচিতদের।
স্থানীয় সময় বুধবার রাতে ফিলিপিন্স ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মনোনীতদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন গুসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ব্যারি এস গুসি।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জোন্স, ব্যারি গুসি ফাউন্ডেশনের পদস্থ কর্মকর্তাসহ পৃথিবীর অন্তত ২০ দেশের ৫ হাজার অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
শাইখ সিরাজের সঙ্গে এই পুরস্কার নিয়েছেন কিরগিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসকার আকায়েব, পর্তুগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট এন্তোনিও ইয়েনেস, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ছেলে হান মেনি।
বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরেন গুসি পদকপ্রাপ্তরা।
পুরস্কার গ্রহণ করে শাইখ সিরাজ তার তিন দশকের বিরতিহীন কৃষি সাংবাদিকতার কথা তুলে ধরে বলেন, দারিদ্র মনের গভীরে লুকিয়ে থাকে, সেই দারিদ্র ধুয়ে ফেলতে হবে আত্মবিশ্বাস দিয়ে। আর এর জন্যই প্রয়োজন শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা।
শাইখ সিরাজ আরও বলেন, গণমাধ্যম শুধু বিনোদন মাধ্যম নয়, এর মাধ্যমে ক্ষুধা দারিদ্র যেমন দূর করা যায়, একইভাবে সম্ভব সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা।
এক্ষেত্রে তিনি গণমাধ্যমের শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ছিলো ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া এবং কম্বোডিয়ার শিল্পিদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।







