শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী ২৬ জুন শুক্রবার । দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৪ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক- পেশাজীবী, ছাত্র-নারী-মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের সমন্বয়ে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি জাহানারা ইমাম ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠন করেন। এই কমিটির উদ্যোগেই ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত গণ-আদালতে গোলাম আযমের প্রতীকী বিচার হয়৷
মাত্র আড়াই বছর এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন লেখক ও সমাজকর্মী শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে মশাল তিনি জাতির হাতে তুলে দিয়েছিলেন তারই আলোকে আজ বাংলাদেশে য্দ্ধুাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম তারই ঝান্ডা বহন করে এগিয়ে চলেছে মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্খিত সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ে।
শহীদ জননীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবারের মতোই একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা, আলোচনা সভা এবং জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সকাল সাড়ে ৭টায় মিরপুরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। এ বছর ব্যক্তি হিসেবে অধ্যাপক অজয় রায়কে এবং সংগঠন হিসেবে ‘ছায়ানট’-কে জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক প্রদান করা হবে।







