নীলফামারীর ডোমারে স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর উদ্বোধন করা হলো ‘হৃদয়ে স্বাধীনতা
ডোমার স্মৃতিসৌধ’। ডোমার হাইস্কুল মাঠে এই স্মৃতি সৌধ নির্মাণ হওয়ায় পূরণ হলো ডোমারবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।
ভালাবাসা হৃদয়ে লালন করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ডোমার উপজেলা কমান্ডের সার্বিক সহযোগিতা ও দেশের অন্যতম এক চিত্রশিল্পী বীর মক্তিযোদ্ধা জি এম এ রাজ্জাকের পরিকল্পনা ও শিল্প নির্দেশনায় ডোমার হাইস্কুল মাঠে নির্মাণ করা হয় মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ। ৮৬ ফুট দৈর্ঘ্য বেদীর উপর ২৫ ফুট প্রসস্ত ও ৩০ ফুট উচু লাল বৃত্তে দেশের মানুষ চিরদিন স্মরণ করবে মুক্তিযুদ্ধের বীরদের।
ডোমারের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী জি এম এ রাজ্জাক বলেন, আজ এইখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি, আর এই জন্য নিজে গর্ববোধ করছি। আর মনে হচ্ছে এই উপজেলায় আমি আর কোনো দিন মারা গেলাম না।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কমান্ডার নুরন নবী বলেন, এটা একটা প্রতীক হিসেবে থাকবে। যেটা দেখে মানুষের স্বাধীনতার কথা মনে পড়বে।
ডোমারবাসীর সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতায় তৈরী হওয়া হৃদয়ে স্বাধীনতা ডোমার স্মৃতিসৌধ দেশের একটি মাইল ফলক। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এই স্মৃতিসৌধের নকশাকার আমাদের স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধে ডোমারবাসী যে অবদান রেখেছে তা যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে করবে বাঙালি জাতি।






