এসএসসি পরীক্ষায় শহরের তুলনায় গ্রামের শিক্ষার্থীরা খারাপ ফল করেছে। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা সন্তোষজনক নয়। নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা বেশি পাওয়ায় শহরের ফল ভালো হচ্ছে বলে মনে করেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, শহরের মধ্যে মূল উপজেলা সদর, পৌরসভার বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো ফল অর্জন করতে পারেনি।
এছাড়া জিপিএ ফাইভ পাওয়া ১ লাখ ৪শ’ ৬১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বোর্ডেরই ৪৯ হাজার ৪শ’ ৮১ জন। এর বিপরীতে বরিশাল বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ হাজার ১শ’ ১৭ জন। বরিশাল বোর্ডের এ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক বিভাগে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে মাত্র ৯৪ জন।
এদের সবাই মূল শহরের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত করেছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম।
তিনি বলেন, তার বোর্ডে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে যোগাযোগবঞ্চিত ভোলা। খারাপ ফলের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে উপকূলীয় জেলা বরগুনা। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানও বলেছেন, গ্রামের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে আছে।
তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন, উপবৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের গ্রামে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়ার কারণে কয়েক বছরের মধ্যে গ্রামের ফলেও পরিবর্তন আসবে।
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:







