চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

লুটেরাদের কোন দেশ নেই

ড. মঞ্জুরে খোদাড. মঞ্জুরে খোদা
২:০৯ অপরাহ্ন ০২, ডিসেম্বর ২০২০
মতামত
A A

শুধু কানাডায় অর্থপাচার হয়, এমন ধারণা ভুল। কানাডার বেগমপাড়ার গল্প শুনে অধিকাংশ মানুষের ধারণা বাংলাদেশ থেকে অর্থ শুধু কানাডাতেই পাচার হয়, আর কানাডার সরকার এ সব টাকা চোরদের স্বাগত জানাতে বসে আছেন। এমন ধারণা করা মানুষগুলোর একটি বড় অংশ আবার কানাডার বাইরে অন্যান্য উন্নত দেশের অধিবাসী। বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ব্যবসায়িক-রাজনৈতিক-আমলাদের লুটপাট, অর্থপাচার, বেগমপাড়া ও লুটেরা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেকের মন্তব্যে সেটা খেয়াল করেছি। তাই বিষয়টা আবার পরিস্কার করতে আবার লিখছি।

লেখালেখি করতে গিয়ে দেখেছি, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, কাতার-দুবাইসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা গর্ব করে মন্তব্য করে বসেন, কানাডাতেই অর্থপাচার করে নেয়া সম্ভব, আমাদের এখানে সম্ভব না। এসব দেশে আইন-কানুন খুব কড়া এখানে এভাবে কেউ টাকাপয়সা এনে বাড়ি-গাড়ি কিনে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে না। কানাডা সরকারের আইন লুটেরা ও পাচারবান্ধব তাই সে দেশের সরকার বিনিয়োগ কোটায় আসা একশ্রেণির অভিবাসীদের দেশ থেকে পাচার করে আনা অর্থ দিয়ে নিজ দেশের সম্পদ বাড়ায়। যে কারণে কানাডার সরকার এগুলো নিয়ে মাথা ঘামায় না। এবং এসব বেআইনি/অনৈতিক কাজের কোন বাধা হয় না।

যারা এমনটা ভাবেন তারা কানাডার আইন-আদালত সম্পর্কে বড় রকমের ভুল ধারণা রাখেন। কানাডা নিজ দেশের জন্য যেমন আইনের প্রয়োগ করে যত্নশীল, প্রতিবেশী ও অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও আইন প্রয়োগে কোন ভিন্নতা নেই। তা এই করোনাকালে প্রভাবশালী প্রতিবেশী আমেরিকার সাথে কানাডার সাম্প্রতিক তিক্ততার বিষয়টি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে অনেক চাপ প্রয়োগ করেও তাদের বর্ডার খোলাতে পারেনি।

কানাডায় কি অর্থপাচার বিরোধী আইন নেই?
মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচারের বিরুদ্ধেও কানাডার আইন আছে এবং তা যথেষ্ট শক্তিশালী। অর্থপাচার এবং অবৈধ লেনদেন বন্ধ-নিয়ন্ত্রনে কানাডায় কাজ করে “ফিনান্সিয়াল ট্রান্সেকশনস অ্যান্ড রিপোর্ট এনালিসিস সেন্টার অব কানাডা বা ‘ফিনট্রাক (The Financial Transactions and Reports Analysis Centre of Canada (FINTRAC) কানাডার অভিবাসী কারো বিরুদ্ধে হুন্ডি বা অর্থপাচার সংক্রান্ত কোন সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে এই সংস্থা তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বিষয়টা এমন না যে কারো বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল কিন্তু কানাডা সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, তা নয়। বাংলাদেশ থেকে যারা অর্থ পাচার করে এনেছেন, যাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পত্রিকায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। আমার জানা মতে আজ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে এই প্রতিষ্ঠানে তথ্যউপাত্তসহ কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। যদি অভিযোগ করে, মামলা করে, কেউ প্রতিকার না পেতো তাহলে বলা যেতো কানাডা সরকারের আইন দুর্বল বা লুটেরাদের প্রতি সহানুভূতিশীল।

এসব বিষয়ে অভিযোগ করতে আন্তদেশীয় কুটনৈতিক সম্পর্ক, চুক্তি ও যোগাযোগের বিষয় আছে। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন, অর্থমন্ত্রণালয়, বিচার বিভাগ, কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। যেসব ব্যক্তি, ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশের সমষ্টি, প্রাতিষ্ঠানিক ও জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে। সুতরাং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ আসা বাঞ্চনীয়। তবে যে কোন ব্যক্তিও এমন অভিযোগ আনতে পারেন, তবে তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ-সাক্ষ্য, কাগজপত্র থাকতে হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ সব লুটেরাদের বিরুদ্ধে কোন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, এমনটা শুনিনি।

Reneta

বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোতে এ সব লুটেরাদের বিরুদ্ধে একের পর এক হাজার-হাজার কোটি আত্মসাত ও পাচারের অভিযোগ ওঠার পর কানাডার টরন্টোতে এদের বিরুদ্ধে প্রবাসীরা একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। যে আন্দোলন দেশে-বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগায় এবং আলোচনার সৃষ্টি করে। সেই অবস্থা-বাস্তবতা থেকেই হয়তো অনেকের মধ্যে কানাডা বিষয়ে এই মনোভাবের জন্ম হয়েছে যে সব লুটেরা-অপরাধীরা কানাডায় এসে জড়ো হচ্ছে এবং কানাডা হচ্ছে এ সব অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য বা অভায়ারণ্য। বিষয়টা ঠিক নয়।

তাহলে বিনিয়োগ কোটায় লুটেরারা কিভাবে আসে?
কানাডার অভিবাসী আইন অনুযায়ী, বিনিয়োগ কোটায় যখন একজন অভিবাসী প্রথম কানাডায় আসেন, তখন সে বৈধভাবে অর্জিত যে কোন অংকের অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়ায় কানাডায় নিয়ে আসতে পারেন। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে যারা বৈধভাবে কানাডায় এসেছেন, তাঁরা নিশ্চিতভাবে কানাডা সরকারকে এ সব কাগজপত্র দেখিয়েছেন। এবং স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তার দেশে যে অর্থ-সম্পদ ছিল, সেগুলো বিক্রি করে, সরকারকে কর প্রদান করে যথাযথ বৈধ প্রক্রিয়ায় এখানে এসেছেন।
বিনিয়োগ কোটায় আসা অবৈধ সম্পদের অধিকারীরা কানাডায় আসতে পারার প্রধান দায় বাংলাদেশের? এ সব অভিবাসী প্রত্যাশিরা তাদের সম্পদের সকল ধরণের কাগজপত্র, ছাড়পত্র দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি করে কানাডা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রদান করেছে। এবং নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে তারা সিন্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার থেকে কেউ ভুল, অসঙ্গতি, মিথ্যা, জালিয়াতি তথ্য ও কাগজপত্র তৈরি করলে-তার প্রধান দায়দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের। বিনিয়োগ অভিবাসী প্রত্যাশি প্রত্যেকের বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে আলাদা-আলাদা তদন্ত করে সঠিক তথ্য বের করে আনা কানাডা সরকারের জন্য অত্যন্ত কঠিন। সেক্ষেত্রেও হয়তো লুটেরারা প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে লোকজন ঠিক করে রেখেছিল, যাতে তদন্তকালে এগুলো ধরা না পরে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রধান দায়িত্ব এসব মিথ্যা-জালিয়াতির ধারা-প্রবণতা বন্ধ করা।

বাংলাদেশের অবৈধ অর্থের খতিয়ান ও গন্তব্য
যেকোনো ভাবে অর্থ উপার্জন করাও এক ধরনের ব্যবসা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্বৃত্তায়ন ও অব্যস্থাপনার কারণে একটা শ্রেণির অসৎ-ফটকাবাজি অমানুষ গড়ে উঠেছে, যাদের কাজ হচ্ছে অনৈতিক পন্থায় অর্থ উপার্জন করে তা বিদেশে পাচার করা।

বিভিন্ন দেশের অবৈধ অর্থের লেনদেন ও পাচার নিয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনটিগ্রিটির (জিএফআই) কাজ করছে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে ৭৫৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার বা ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। ২০০৮ থেকে এ অর্থ পাচার হচ্ছে এবং তা ক্রমেই বাড়ছে।

স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ২০ বার অবৈধ অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু জরিমানাসহ ১৮ হাজার কোটি টাকার অধিক বৈধ হয়নি। যা বিদ্যমান অবৈধ অর্থের তুলনায় খুব সামান্য। তাহলে সেই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ কোথায় যায়? সেই অর্থও যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে চলে যায়।
২০০৪ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ছিল ৩৬৫ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের হিসেবে অনুযায়ী এখন সেখানে আছে ৫ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ১৫ বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে এক হাজার ৩৭০ গুণ!

জার্মান অর্থনীতিবিদ ফ্রেডারিক স্নাইডার মনে করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কালো অর্থনীতি তৈরি হচ্ছে মূলত সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও কর কাঠামোর অব্যবস্থার কারণে। তাঁর সমীক্ষা অনুযায়ী, বাংলাদেশে কালো টাকার পরিমান জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ২৮ শতাংশ।

বাংলাদেশের টাকা কোথায় যায়, তার অনুসন্ধানে দেশের সরকারি সংস্থাগুলো বলছে, প্রধানত ১০টি দেশে এই টাকা যাচ্ছে, (১) যুক্তরাষ্ট্র (২) যুক্তরাজ্য (৩) কানাডা (৪) অস্ট্রেলিয়া (৫) সিঙ্গাপুর (৬) হংকং (৭) সংযুক্ত আরব আমিরাত (৮) মালয়েশিয়া (৯) কেইম্যান আইল্যান্ডস ও (১০) ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস। সে হিসেবে কানাডার নাম আছে ৩ নাম্বারে। যথাক্রমে আমেরিকা ও ব্রিটিশ আছে এক ও দুই নাম্বারে! এ তথ্য বাংলাদেশ সরকার ও জিএফআই এর আমার মন গড়া নয়।

কিভাবে পাচার হয় এ অর্থ?
ওভার ইনভয়েসিং এবং আন্ডার ইনভয়েসিং মাধ্যমে অবৈধ অর্থ আয় ও পাচার হয়। কেউ একটি গাড়ি কিনবে দেড় কোটি টাকা দিয়ে, এলসি করলো দুই কোটি টাকা। ৫০ লাখ পাচার হলো। ট্যাক্স ফাঁকি দেবেন, দাম দেখালেন এক কোটি, আন্ডার হয়ে গেল। রপ্তানিও উল্টাভাবে করা যায়। এমন দামে পণ্য বিক্রি করা হয় যাতে অর্ধেক টাকা দেশে আসে, বাকিটা বিদেশে থেকে যায়। এভাবেই পাচার হয় আন্ডার আর ইনভয়েসিং এর কারসাজিতে। এ তো গেল অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যে আন্ডার-ওভার ইনভয়েসিং। পাচার ছাড়াও ওভার-আন্ডার হয়।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি অবৈধ অর্থ তৈরি হয় জাল পণ্য কেনাবেচা, মাদক ও মানব পাচারের মাধ্যমে। বাংলাদেশে এর সব ধারাই সক্রিয়। আমদানি-রপ্তানির আর হুন্ডির মাধ্যমে সর্বাধিক অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটে। দেশের রাজনীতিক, আমলা, ব্যবসায়ীদের অনেকের সন্তান বিদেশে লেখাপড়া করে সেখানেও অনেক অর্থ চলে যায়। দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ও আস্থা না থাকলে অর্থ অন্য দেশে চলে যায়।

অর্থ পাচারও বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ঘটে। যারা তাদের অবৈধ অর্থ পাচার করে তারা প্রথমে তাদের অর্থ কৌশলগত কারণে দ্বিতীয় কোন দেশে প্রেরণ করে, তারপর সে অর্থ তারা তাদের কাঙ্খিত দেশে বা কানাডায় নিয়ে আসে। এবং এখানকার আইন অনুযায়ী তার সে অর্থ আয়ের উৎস ও করের কাগজপত্র দেখিয়ে সেগুলো ছাড় করে এখানে বিনিয়োগ করে, খরচ করে।

ব্রিটেনের যে বন্ধুরা কানাডার দিকে আঙ্গুল তোলেন তাদের বলি
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে ব্রিটেন, আমেরিকাসহ অন্যান্য দেশে বিপুল অর্থ পাচার হয়েছে। খুব আগ্রহী হলে গুগলে হিট করেন অনেক লিংক পেয়ে যাবেন। লেখাটা দীর্ঘ করতে চাই না বলে সে আলোচনায় যাচ্ছি না। তবে মূল গবেষণা কাজে তা থাকবে।

তবে ইতিহাস থেকে একটি তথ্য তুলে ধরছি। ব্রিটিশরা ভারতবর্ষ থেকে ১৭৩ বছরে (১৭৬৫-১৯৩৮) ৯.২ ট্রিলিয়ন পাউন্ড (৪৫ লাখ কোটি রুপি) লুটপাট করে নিয়ে গেছে! সে তথ্য কি আপনারা জানেন? আপনাদের সেই ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের বলুন ভারতবর্ষের টাকাগুলো ফেরত দিতে। সেখানে বাংলাদেশের একটি বড় অংশ আছে। বিখ্যাত অর্থনৈতিক গবেষক উৎসা পাটনায়েক তার প্রবন্ধে ব্রিটিশের এই সম্পদ লুটপাট ও পাচারের তথ্য উল্লেখ করেছেন! গত ৭০ বছরেও বাংলাদেশসহ সমগ্র ভারতবর্ষ সে ধাক্কা সামলাতে পারেনি।

ব্রিটেন থেকে যে সব বন্ধুরা কানাডা সরকারের সমালোচনা করেন তারা কি একটু ব্রিটিশ সরকারের অতীত লুটপাট ও পাচারের হিসেবটা করবেন? ব্রিটেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৫ জন আইনসভার সদস্যসহ অনেক জনপ্রতিনিধি আছেন, তাদের তো কখনো এগুলো নিয়ে কথা বলতে শুনিনি! তাই বলছি, অন্যদেশের একমুখী সমালোচনা করবার আগে নিজেদের দিকে একটু তাকাবেন এবং এগুলো নিয়ে একটু কথাবার্তা বলবেন। দেশের প্রতি দায় বোধ থেকে আমরা যেমন কানাডায় লুটেরা বিরোধী আন্দোলনের আওয়াজ তুলেছি, আপনারাও তুলুন। লুটেরাদের কোন দেশ নেই, ধর্ম নেই, তারা সবার শত্রু ! তারা সর্বত্রই জনস্বার্থের ক্ষতি করে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: অর্থপাচারঅস্ট্রেলিয়াআমেরিকাইংল্যান্ডকানাডার বেগমপাড়াথাইল্যান্ডবেগমপাড়া ও লুটেরাসিঙ্গাপুর
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

১২ বছরে চ্যানেল আই অনলাইন

এপ্রিল ২০, ২০২৬

আর্সেনালকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পথটা পরিষ্কার করল ম্যানসিটি

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহা ও হজের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

দারুণ জয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে রোনালদোর আল নাসের

এপ্রিল ১৯, ২০২৬

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়ালি চলবে হাইকোর্ট

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT