একমাসের ব্যবধানে খাবার লবণের দাম প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা বেড়ে গেছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংকটের কথা বলে একমাস আগ থেকেই ৩৫ টাকা কেজি
হিসেবে নামকরা ব্র্যান্ডের লবণ বিক্রি হচ্ছে। তবে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
সংস্থা কর্পোরেশন বিসিক লবণের খুচরা মূল্য নির্ধারণে বাজার মনিটরিং প্রয়োজন
বলে মনে করছে।
বাজারে যেসব কোম্পানি প্যাকেটজাত লবণ বিক্রি করে তাদের বেশিরভাগই অপরিশোধিত লবণ এপ্রিল-মে নাগাদ চাষীদের কাছ থেকে কিনে ফেলেন। এবার মাঠে চাষীরা প্রতি কেজি অপরিশোধিত লবণের দাম সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকে। জুন পর্যন্ত আয়োডিনযুক্ত প্যাকেটজাত লবণ সর্বোচ্চ পঁচিশ টাকা বিক্রি হলেও হঠাৎ করেই গত মাস থেকে তা ৩৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
লবণ বিক্রেতা বলছে, প্রতি কেজি লবণ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা। মোটা লবণ ২০-২২ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা দরে। প্রায় একমাস ধরেই এই দামে বিক্রি হচ্ছে।
লবণের এই ঊর্ধ্বগতি দেখে সংকটের আশংকায় সরকার সেপ্টেম্বর নাগাদ দেড় লাখ টন লবণ আমদানির প্রাথমিক সিদ্ধান্তও নেয়। অবশ্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা বিসিকের পর্যবেক্ষণ ১০ টাকায় কেনা লবণ প্যাকেটজাত হয়ে ৩৫ টাকা প্রতি কেজি হতে পারে না।
বিসিকের চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, ব্র্যান্ডের লবণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু মানুষ তাও খাচ্ছে। সাধারণত লবণ কোম্পানিগুলো নিজের মত করে দাম ঠিক করে দেয়। নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে এ কাজগুলো হয়ে থাকে।
কোরবানী ঈদে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে শিল্পে লবণের ব্যবহার বাড়ে। এ কারণে আরো এক দফা খুচরা খাবার লবণের দাম বাড়ার আশংকা করছে খুচরা বিক্রেতারা।








