বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর সাথে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর একসময়কার প্রভাবশালী কর্মকর্তা এবং লিকুদ পার্টির নেতা মেন্দি এন সাফাদির বৈঠক নিয়ে চলমান তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে ফেসবুকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।
সম্প্রতি বিএনপির কেন্দ্রীয় পদ পাওয়া আসলামের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নেয়া এবং বিএনপির দায় এড়ানোর চেষ্টার সমালোচনা করে এর কারণ হিসেবে ‘লন্ডন ষড়যন্ত্রের’ গোপন তথ্য ফাঁসের ভীতির কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকের প্রমাণ সংক্রান্ত তিনটি ছবিসহ আশরাফুল আলম খোকন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন:
“মির্জা ফখরুল বলছেন, ইহুদি ইসরাইল তাদের ইসলামিক আদর্শ পরিপন্থী। মির্জা সাহেব আরো বলেছেন, আসলাম চৌধুরী দলের প্রভাবশালী যুগ্ম মহাসচিব । তবুও ইসরাইলী গোয়েন্দা মোসাদ কর্মকর্তা মেন্দি এন সাফাদী’র সাথে তার বৈঠকের দায় বিএনপি নিবেনা ।
তাইলে মির্জা সাহেব, এখনোতো আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলেন না । এটা কি প্রমাণ করে?
মির্জা সাহেব আরেকটা প্রশ্নের উত্তর দেন, সদ্য জামাত থেকে আশা একজন লোককে কেন দলের বিশাল একটি পোস্ট কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব বানাইলেন? ওনার কি এমন যোগ্যতা ছিল যে সম্মেলনের পর মাত্র ২০/২৫ জনের ঘোষিত কমিটিতে ওনাকে চট্টগ্রাম থেকে তুলে এত উচ্চ পদে দিতে হলো??
যদি দায়দায়িত্ব নাই নিবেন তাহলে দল থেকে বহিষ্কার করে দেন। তবেই জাতি বুঝবে যে আপনারা এই রাষ্ট্র ও মুসলমান বিরোধী ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত না। জানি তাও পারবেন না।
কারণ বহিষ্কার করলে’তো আসলাম চৌধুরী “লন্ডন ষড়যন্ত্রের” সব গোপন তথ্যের চিচিং ফাঁক করে দিবে।
যেমন:- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কেসিও বাবর যেদিন বললো যে তিনি ২১সে আগস্ট হত্যা ও দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার রাজসাক্ষী হবেন সেদিন রাতেই তড়িঘড়ি করে আপনারা বাবরের বহিস্কারাদেশ তুলে নিলেন।
এরপর থেকে বাবরও চুপ হয়ে গেলো।”








