অভিযোগটি ছিল বেশ লজ্জা এবং বিব্রতকর। ২০১৫ বিশ্বকাপ চলাকালীন সিডনির এক অস্ট্রেলিয়ান নারী ম্যাসেজ থেরাপিস্টের সামনে তোয়ালে খুলে নাকি নিজের গোপনাঙ্গ দেখিয়েছিলেন ক্রিস গেইল। মানহানির মামলাও ঠুকে দিয়েছিলেন সেই নারী। বিচার শেষে পর্যাপ্ত সাক্ষীর অভাবে গেইলকে নির্দোষ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন আদালত।
সিডনির কিং স্ট্রিট আদালতের বাইরে দাঁড়িয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে গেইল বলেন, ‘আমি একজন ভদ্র লোক। আমার কোনোও দোষ নেই।’
ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়ার মালিকানাধীন তিন পত্রিকা- দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, দ্য এজ এবং ক্যানাভেরা টাইমসে লিয়ানে রাসেল নামে সেই নারী থেরাপিস্ট দাবি করেন, গেইল তাকে পরনের তোয়ালে খুলে নিজের গোপনাঙ্গ দেখান। তাতে তিনি এতটাই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন যে এক পর্যায়ে লজ্জায় কেঁদেই ফেলেন।
রাসেল অভিযোগের তীর ছুঁড়েছেন গেইলের আরেক ক্যারিবীয় সতীর্থ ডুয়াইন স্মিথের দিকেও। ম্যাসেজের পর স্মিথ তাকে ‘সেক্সি’ লিখে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছিলেন বলে দ্য এজকে জানান রাসেল।
গেইল এবং স্মিথকে ঘিরে অভিযোগ নিয়ে রাসেল সেসময় দেখা করেন তৎকালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের টিম ম্যানেজার রিচি রিচার্ডসনের সঙ্গেও। নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দায়িত্বপূর্ণ আচরণ করার জন্য খেলোয়াড়দের মেইল করেছিলেন রিচার্ডসন। দ্য এজকে এমনটাই জানান রাসেল।







