কলম্বো টেস্টের চতুর্থ দিনে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে চেপে ধরেছে টাইগার বোলাররা। দিনের শুরুতে মিরাজের সাফল্যের পর কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত। পরে সাকিবের ঘূর্ণিতে আরেকটি উইকেট। সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার আগেই ফের মোস্তাফিজের ম্যাজিক্যাল ডেলিভারি। যাতে গোল্ডেন ডাক মেরে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে ধনঞ্জয়াকে।
দিমুথ করুনারত্নে ও কুশল মেন্ডিসের প্রতিরোধে টাইগারদের হাসি মলিন হতে শুরু করেছিল মধ্যাহ্ন বিরতির আগে। সেটি আবারো উজ্জ্বলতায় ফিরিয়ে আনার কাজটা করে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। বিরতির পর মেন্ডিসকে সাজঘরে পাঠিয়ে স্বস্তির পরশ এনে দেন কাটার মাস্টার। কিছুপরেই চান্দিমালকে সাজঘরের পথ দেখান ফিজ। আর সাকিবের স্পিনে টালমাটাল হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন আসেলা গুনারত্নে।
মেন্ডিস দ্বিতীয় উইকেটে করুনারত্নের সঙ্গে ৮৭ রানের জুটি গড়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন। তখনই দৃশ্যপটে মোস্তাফিজ। তার একটি ফুল লেন্থের বলে উইকেটের পেছনে মুশফিকের গ্লাভস জমা পড়েছিলেন মেন্ডিস। আম্পায়ার শুরুতে আউট দেননি। অধিনায়ক রিভিউয়ের পথে হাঁটেন। তাতেই দিনের দ্বিতীয় সাফল্য।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান দিনেশ চান্দিমালও মুশফিকের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়েছেন একই রকম এক বলে। মিড উইকেট দিয়ে পুশ করতে চেয়েছিলেন লঙ্কান ব্যাটসম্যান। পারলেন না ঠিকঠাক। শেষ হাসিটা ফিজেরই।
এরপরই সাকিবের ঘূর্ণি শুরু, অফস্টাম্পের বলটি ব্যাটে না খেলে প্যাডে নিয়েছিলেন গুনারত্নে। তাতেই সর্বনাশ। আবেদনে সাড়া না দিয়ে উপায় ছিল না আম্পায়ার আলিম দারের।
সেখান থেকে আবারো ফিজ ম্যাজিক। ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে রানের খাতা খোলার আগেই উইকেটের পেছনে মুশফিকের গ্লাভসে তালুবন্দি করান তিনি।
সকালে কোন উইকেট না হারিয়ে ৫৪ রানে শনিবারের খেলা শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। তাতে মাত্র তিনটি রান যোগ হতেই উইকেট হারায় তারা। অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ এদিন নিজের প্রথম বলে বোল্ড করে থারাঙ্গাকে ফেরান।
এর আগে সাকিরের সেঞ্চুরি ও মুশফিক-মোসাদ্দেকের অর্ধশতরানে প্রথম ইনিংসে ৪৬৭ রান করে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ করে ৩৩৮ রান। বাংলাদেশ ১২৯ রানের লিড পেয়েছিল।










