চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

লকডাউনের নিরাপদ প্রত্যাহার: ভাইরাসের সাথে বসবাস

অধ্যাপক ডঃ মোঃ হাসিবুর রহমান অধ্যাপক ডঃ মোঃ হাসিবুর রহমান
৩:৩১ অপরাহ্ণ ২২, মে ২০২০
মতামত
A A

নোভেল করোনা কোভিড-১৯ আতংকে অনির্দিষ্টকালের জন্য জীবন-জীবিকা-অর্থনীতি, বেচেঁ থাকার স্বপ্ন, সব কিছু লকডাউনের শিকলে বন্দি থাকাটা কোনো সমাধান নয়। আমরা প্রত্যকেই কখনো না কখনো করোনা কোভিড-১৯ -আক্রান্ত হবো, ঠিক যেমনটি আমরা কখনো না কখনো সাধারণ সর্দি-কাশিতে (কমন-কোল্ড) আক্রান্ত হয়েছি।

একইভাবে জীবনকালে কখনো না কখনো আমরা চিকেন-পক্স এ আক্রান্ত হই। যেকোন মেয়াদের লকডাউন কি আমাদের উল্লেখিত সংক্রমণগুলো থেকে মুক্তি দিতে পারে? উত্তর হলো ‘না’। কেননা, জীবাণুটি যখন ভাইরাস, আর এর বিস্তার যখন হাঁচি/কাশি/বায়ু বাহিত, তখন সংক্রমণ এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই, ভ্যাকসিনের ব্যবহার ছাড়া। আমরা যে সাধারণ সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হই সেটাও কিন্তু একটি করোনাভাইরাসের কারণেই। কিন্তু কোভিড-১৯ একটা নতুন ধরনের করোনাভাইরাস বিধায় আমাদের শরীরে এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধ (এন্টিবডি) আগে থেকে তৈরী নেই।

এজন্য আমরা সহজেই সংক্রমিত হচ্ছি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সংক্রমণ উপসর্গহীন, নিজের অজান্তেই রোগী আক্রান্ত হন এবং নিরাময় লাভ করেন। বড় জোর সাধারণ সর্দিকাশিতে ভুগে থাকেন কেউ কেউ। গুরুতর অসুস্থ হচ্ছেন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অত্যন্ত বয়স্ক, এবং যারা আজমা, ডায়াবেটিস, কিডনি বা হৃদরোগে ভুগছেন। বয়োবৃদ্ধরা কিন্তু ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসঘটিত নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত হন, মারাও যান। কিন্তু  কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে প্রকোপ (ভিরুলেন্স) অত্যন্ত বেশি, কারণ আগেই বললাম, এটি নতুন প্রকৃতির। এক-দুই বছর পর আমাদের দেশে এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ক্ষমতা এবং প্রকোপ (ভিরুলেন্স) ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সমতু্ল্য পর্যায়ে নেমে আসার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। বলা যেতে পারে ভাইরাসের সাথে বসবাস এবং সংক্রমণেই মুক্তি (হার্ড ইম্যুনিটি)। আমেরিকা-ইউরোপের দিকে তাকিয়ে আতংকিত হওয়ার কোনো কারণ দেখি না।

ওদের এথনিক গ্রুপ আলাদা, আবহাওয়া ভিন্ন। ওদের ভ্যাক্সিন না দিলে, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দিয়েও সব বয়সের ক্ষেত্রেই নিউমোনিয়াতে প্রাণহানি ঘটে, আমাদের ক্ষেত্রে কিন্তু তা হয় না। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানির পরিসংখ্যান বাংলাদেশে ইউরোপ, আমেরিকার তুলনায় যে অনেক কম (আলহামদুলিল্লাহ) এর পেছনে সম্ভবত এথনিসিটি এবং জলবায়ুর বিভিন্ন নিয়ামকের ভিন্নতাই দায়ী।

কোনো র‍্যাপিড ডিটেকশন-কিট ব্যবহার করে মাত্রাতিরিক্ত জনঘনত্বের এই দেশের উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক মানুষকে টেস্টের আওতায় আনতে পারলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যাটি হয়তো অনেক বড় দেখাতো এবং প্রমাণিত হতো বাংলাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যুহার বর্তমানে অনুমিত মৃত্যুহার অপেক্ষা আরো অনেক কম এবং আমেরিকা ও ইউরোপের তুলনায় নগণ্য।

এখন দেশ লকডাউনে আছে। দেশের একটি বৃহৎ শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী কর্মহীন হয়ে পড়ায় মৌলিক-চাহিদা মেটাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন, মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দারিদ্রের সাথে রোগ-প্রতিরোধ ও চিকিৎসা-ব্যয় নির্বাহের ক্ষমতার সম্পর্ক বিপরীতমুখী। দৈনিক উপার্জন না থাকায় ক্ষুদে ব্যাবসায়ীবৃন্দ এখন স্বচ্ছল অবস্থা থেকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছেন। এই মানুষগুলো কারো কাছে হাত পাততে পারেন না। ত্রাণের সারিতে দাঁড়াতে তাঁরা অভ্যস্ত নন। একসময়ে যে মানুষটি দৈনিক ৩০০০ টাকা মুনাফা করে ৫০০ টাকা ব্যয় করতেন নিজের ও পরিবারের ঔষধের খরচের পেছনে তার এখন কোন আয় নেই। করোনা-ছোবলে দারিদ্র-জনিত চিকিৎসা সংকট এবং মানবিক বিপর্যয়ের কথাও আমাদের ভাবতে হবে। করোনা-ই একমাত্র প্রাণঘাতি রোগ নয়। WHO এবং ICDDR, B এর হিসাব মতে এদেশে ২০১৮-১৯ সালে বছরে গড়ে যক্ষা, শিশু-নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াজনিত রোগে যথাক্রমে ৪৭,০০০, ১২,০০০ এবং ১৯,০০০ মানুষ মারা গেছেন। নিশ্চয় উল্লেখিত রোগগুলোতে আক্রান্ত হয়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঐ বছর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থও হয়েছেন। লকডাউন যদি মানুষকে বুভুক্ষু রাখে, আর্থিক সামর্থ্যকে বিকলাঙ্গ করে দেয়, তাহলে উল্লেখিত রোগগুলোতে প্রাণহানির সংখ্যাও বাড়বে। কিন্তু এতো ত্যাগের পরেও কোভিড-১৯ এর আখ্যান শেষ হবে না। আমরা অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত লকডাউনে থেকে যেমন সাধারণ সর্দি-কাশি, চিকেন-পক্স ও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস নির্মুল করতে পারবো না, ঠিক তেমনি কোভিড- ১৯ এর জন্যও লকডাউন কোন সমাধান বয়ে আনবে না।

তাহলে কি লকডাউনের কোনই কার্যকারিতা নেই ? অবশ্যই আছে। লকডাউনের কারণে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামলানো গেছে, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ঘুরে দাঁড়ানোর সময় পেয়েছে এবং কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কেন্দ্র মাত্র একটি থেকে বিয়াল্লিশটিতে সম্প্রসারিত হয়েছে। এবার সময় এসেছে এই লকডাউনের কবল থেকে জাতিকে পরিকল্পনা মাফিক নিরাপদে, পর্যায়ক্রমে বের করে আনা এবং বহুল উচ্চারিত হার্ড-ইম্যুনিটির দিকে জনগোষ্ঠীকে নিয়ে যাওয়া। এক্ষেত্রে সরকারকে মহামারী বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও চিকিৎসা-ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সংগে আলোচনা করে লকডাউন-মুক্তির কর্মপরিকল্পনা করতে হবে। প্রয়োজনে হাসপাতালগুলোর সেবাদান সামর্থ্যের সাথে সংগতি রেখে অন্তর্বর্তীকালিন বিরতিসহ লকডাউন আরোপ করা যেতে পারে ।করোনাভাইরাস

আবার লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে কোন একটি এন্টিবডি-ভিত্তিক র‍্যাপিড-ডিটেকশন কিট। এই কিটের মাধ্যমে অঞ্চল ভেদে জনগোষ্ঠীর প্রতিরোধ ক্ষমতা যাচাই করে ক্রমে ক্রমে প্রথমে তরুণ ও যুবসম্প্রদায়কে ঘর থেকে বের করে আনতে হবে। এছাড়া ইমিউন-নন এমন তরুণ/যুবসম্প্রদায় যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন তাহলে পরিবেশে মাত্রা-স্বল্প জীবিত (Sub-infection dose ) ও মৃত, উভয় প্রকারের ভাইরাস দিয়ে সংক্রমিত হবেন এবং উপসর্গবিহীন বা অল্প সর্দি- কাশিতে ভুগে দেহে প্রতিরোধ তৈরি করবেন। প্রথমে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া যেতে পারে। পর্যায়ক্রমে স্কুল ও বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এসময়ে সর্বাত্মক প্রচারণার মাধ্যমে বয়োজ্যেষ্ঠ এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ নাগরিকদেরকে (ডায়াবেটিস /আজমা/কিডনি /হৃদরোগী) সর্বোচ্চ সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

একইভাবে র‍্যাপিড-ডিটেকশন কিটের মাধ্যমে প্রতিরোধ ক্ষমতা যাচাই-জরিপ করে ক্রমে ক্রমে অন্তঃ ও আন্তঃজেলা যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এভাবে আমাদের জনসমষ্টি ধীরে ধীরে কোভিড-১৯ সহিষ্ণু জনসমষ্টিতে পরিণত হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের সাথে বসবাস ও সংক্রমণেই মুক্তি, অন্তত বাংলাদেশে যতদিন কোনো ভ্যাক্সিন না আসছে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: করোনাকরোনাভাইরাসকোভিড-১৯লকডাউন
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

একজন নয়, শ্রীদেবীর ঘরে তিন জনের করোনা

পরবর্তী

তামিম ইকবালের একটু সমালোচনা করা যাবে?

পরবর্তী

তামিম ইকবালের একটু সমালোচনা করা যাবে?

নোয়াখালীতে আড়াই হাজার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর পাশে পিতা-পুত্র

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ

আগস্ট ২৭, ২০২৬

বন্যায় সব হারিয়ে ‘শুধু পরনের কাপড়টাই আছে’

আগস্ট ২৭, ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক

আগস্ট ২৭, ২০২৬

ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপাল-তিব্বত সীমান্ত, নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই

আগস্ট ২৭, ২০২৬

ফেনীতে ‘মাদক সম্রাট শিবলু’সহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আগস্ট ২৭, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT