টেকনাফ, কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্ত দিয়ে কত সংখ্যক রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তার কোন হিসাব না থাকায় এবং সীমান্ত এলাকায় কোন নিবন্ধন ব্যবস্থা না থাকায় অবাধে ঢুকছে রোহিঙ্গারা, আর ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন এলাকায়।
সীমান্তের যেসব পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে তার মধ্যে টেকনাফ অন্যতম নাফ নদী অন্যতম। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের এ এলাকাটিতে নাফ নদীর প্রশস্ততা একেবারেই কম। ভাটার সময় সরু হয়ে আসে নদী। ওপারে মিয়ানমার সীমান্তে রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকাগুলো সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকে। রাতেই রোহিঙ্গাদের নিয়ে নৌকাগুলো ঢুকে পড়ে বাংলাদেশে।
জাতিসংঘ বলছে, গত দু সপ্তাহে বাংলাদেশে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা সোয়া লাখ। তবে বাস্তবের সঙ্গে জাতিসংঘের দেওয়া তথ্যের কোন মিল নেই। দুই লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা এরইমধ্যে অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাংলাদেশের ঢোকার অপেক্ষায় আছে আরও কয়েক লাখ।
রাখাইন প্রদেশের যে জায়গাগুলো থেকে বাংলাদেশে এ রোহিঙ্গারা আসছেন তার দুরুত্ব সীমান্ত থেকে শতমাইলের। পানি জঙ্গল আর বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে পুরোটা পথই হেটে তারা প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।
তবে কোন মতে বাংলাদেশে ঢুকতে পারলেও এসব রোহিঙ্গারা জানেন না ঠিক কোথায় তাদের স্থান হবে। থাকার জায়গার পাশাপাশি খাবারও এখানে এক অনিশ্চয়তার নাম।
ইতোমধ্যে অধিকাংশ রোহিঙ্গা টেকনাফের উচুপ্রংসহ উখিয়ার দুটি টিলাতে আশ্রয় নিতে দলে দলে ছুটছে। সেখানে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাসহ অনেকেই খাদ্য সহায়তাসহ বিভিন্ন সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের জন্য।
তবে কিছু রোহিঙ্গা আবার বাসে করে কক্সবাজার ছাড়িয়ে চট্টগ্রামের দিকেও ছড়িয়ে পড়ছে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







