মিয়ানমারের দাবি করা প্রথম রোহিঙ্গা পরিবারের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে এবার প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘও। সংস্থাটির প্রশ্ন, রোহিঙ্গাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যেই কীভাবে এমন দাবি করা হয়?
গত শনিবার মিয়ানমার দাবি করে, তারা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া এক রোহিঙ্গা পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর রোববার এক বিবৃতিতে জানায়, এই বিষয়ে সরাসরি কোনো তথ্য মেলেনি। এবং এই প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো আলোচনা ও সংযুক্তিও হয়নি।
মিয়ানমারের দাবি করা প্রথম রোহিঙ্গা পরিবারের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া প্রত্যাবাসনের আওতায় পড়ে না বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম।
তবে মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্র জ’তেই বলেন, এই খবর কোনো প্রোপাগান্ডা নয়। পরিবারটি স্বেচ্ছায় এখানে ফিরতে চেয়েছে। আমরা তাদের যত্ন নিচ্ছি।
সিএনএনে প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, মিয়ানমারের রাখাইনে সীমান্তের কাছে নতুন একটি প্রসেসিং ক্যাম্প বানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যেকার চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারিতেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা সেখানকার নিরাপত্তাব্যবস্থা খু্বই খারাপ বলে জানায়। ফলে প্রত্যাবাসন পিছিয়ে যায়।
এরপর মিয়ানমার দাবি করে, শনিবার এক পরিবারের পাঁচ সদস্য মিয়ানমারের ‘প্রত্যাবাসন ক্যাম্পে’ আসেন এবং তাদের আইডি কার্ড দেখান। এর মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের প্রথম গ্রুপটি মিয়ানমারে ফেরত এসেছে বলে তারা নিশ্চিত করে।
গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা।








